• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পারমাণবিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ শর্ত দিল ইরান কয়রায় ভোর রাতে শিক্ষকের বাড়িতে আগুন অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ধানের গোলা নরসিংদীতে আট বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার কেশবপুরে নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার শুভ উদ্বোধন পার্বতীপুরে শুরু হয়েছে কার্তিকের আমন ধান কাটা ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন উত্তর সিটির দক্ষিণ খানে প্রশাসনের উপস্থিতি ছাড়াই চলছে মেলা কুড়িগ্রামে অরাজনৈতিক সংগঠন জেলা শিল্পী কল্যাণ সোসাইটির যাত্রা শুরু

পারমাণবিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ শর্ত দিল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Update : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

ঢাকা : পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগে সাতটি শর্ত দিয়েছে ইরান। কাতারের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে এসব শর্তসংবলিত একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। তবে শর্তগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলবে না এবং কোনো আলোচনায় বসবে না বলে জানিয়েছে ইরান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
এর আগে চলতি সপ্তাহে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি বলেন, ‘কূটনীতির বিষয়ে আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত জানিয়েছি। তারা আমাদের সাতটি শর্ত বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত আমরা হরমুজ প্রণালি খুলব না কিংবা কোনো আলোচনায় বসব না।’
ইরানের সাত শর্ত কী?
ইরানের পক্ষ থেকে শর্তগুলোর আনুষ্ঠানিক তালিকা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে তেহরানের সম্ভাব্য দাবিগুলো তুলে ধরা হয়েছে। সেগুলো হলো—
১. লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ ও সংঘাত সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
২. ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার।
৩. ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া।
৪. বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করা।
৫. মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমানো।
৬. যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
৭. ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বন্ধ করা।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটন জানিয়েছে, যেকোনো প্রাথমিক আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যু অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীরা যখন কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করছেন, তখন নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইরানকে ‘ধ্বংস করে দেওয়ার’ সর্বশেষ হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর সংঘাত আবারও শুরু হতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে। নির্বাচনের পর সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা নাকচ করেননি ট্রাম্প। অন্যদিকে, যুদ্ধ শুরু হলে আরও ব্যাপক পাল্টা হামলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ইরান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। জবাবে ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান।
এরপর লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। সাম্প্রতিক সময়ে সংঘাত ইয়েমেনেও ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকে ইরানঘনিষ্ঠ হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category