• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

কয়রায় নানা কর্মসুচীর মধ্যে দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
Update : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

সবুজবাংলা২৪ডটকম, কয়রা (খুলনা) : কয়রা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নানা কর্মসুচীর মধ্যে দিয়ে বাঙ্গালীর প্রানের ঐতিহ্য বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭ টায় ইলিশ আর পান্তাভাত খাওয়ার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান মালা শুরু করা হয়। এর পর পরিষদ মাঠে নানান অনুষ্ঠান মালার উদ্বোধন করেন কয়রা-পাইকগাছার সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী, উপজেলা কৃষি অফিসার তীলক কুমার ঘোষ, কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত মোঃ শাহ আলম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শরিফুল আলম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল জাবির, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইস্তিয়াক আহমেদ, সমাজসেবা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, কয়রা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডঃ আকবার হোসেন, কপোতাক্ষ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ওলিউল্লাহ, উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মোঃ আঃ ছালাম, পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন অফিসার মোঃ বিল্লাল হোসেন, আনসার ভিডিপি অফিসার আমিনা,
সহকারি যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ আকরাম হোসেন, মদিনাবাদ মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসমাইল হোসেন, প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল আলম, মোস্তফা শহীদ সরোয়ার, এস এম নুরুল আমিন নাহিন প্রমুখ। এবারের কয়রায় নববর্ষের শোভাযাত্রাটি মানুষের মন কেড়ে নেয়। উপজেলা প্রশাসন ও মদিনবাদ যুব সংঘের নান্দনিক আয়োজনে গ্রাম বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যর বিভিন্ন কার্যক্রম প্রদর্শন করা হয়। এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মাঠে গ্রামীন মেলার আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা, কাচিটানা, হাড়িভাঙ্গা, গ্রামীন খেলাধুলার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্ত ঘটে।

মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কয়রার মৎস্য ব্যবসায়ীদের হয়রানীর অভিযোগ
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি : সুন্দরবনের মৎস্য ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে হয়রানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ না ধরলেও তাদের নাম ব্যবহার করে ফায়দা আদায় করার চেষ্টা করছে একটি মহল। বর্তমান সময় সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে বন বিভাগের কঠোর নজরদারিতে কমে এসেছে অপরাধ প্রবনতা। অভয়ারণ্যে এলাকায় প্রতিনিয়ত বন বিভাগের চলছে টহল কার্যক্রম। এতে করে চুপসে গেছে অসাধু চক্র। তবে অভয়ারণ্যে এলাকায় এক শ্রেনীর স্বার্থনেষি মহল প্রবেশ করতে না পারায় তারা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে বন বিভাগের কর্মকর্তা সহ মৎস্য ব্যবসায়ীদেরকে হয়রানী করছে। জানা গেছে সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় বন বিভাগের সহয়তায় অভয়ারণ্য মাছ শিকার চলছে বলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। ঐ সংবাদে যে সকল তথ্য প্রদান করা হয়েছে তা বাস্তবের সাথে কোন মিল নেই। একটি সুত্রে জানা গেছে, একিিট মহল বন বিভাগের নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ ও কাঁকড়া ধরার জন্য প্রতিনিয়ত চাপ সৃষ্টি করছে। তবে বন বিভাগ কঠোর থাকায় তারা ঐ সকল জায়গায় মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যেতে পারছেনা। আর সেই বিষয়টি কেন্দ্র করে বন বিভাগের লোকদের হয়রানি করতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। ঐ সংবাদে যাদের নাম উল্লেখ্য করা হয়েছে তাদের সুন্দরবনের কোন ব্যবসা নেই। কয়রার গোবিন্দপুর এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, দির্ঘদিন যাবৎ তিনি সুন্দরবনে মাছের ব্যবসা করে আসছে। তবে তার জেলেরা নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ ধরেনা। সম্পুর্ন হয়রানী করার জন্য তার নামটি ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি মিথ্যা ঘটনার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। ঐ সংবাদে প্রকাশ করা হয়েছে নিষিদ্ধ এলাকায় মিন্টু গংদের ৩০ খানা নৌকায় মাছ ধরে থাকে। কয়রার মিন্টু সানা বলেন, তার অভয়ারণ্যে এলাকায় কোন ব্যবসা সেই। সম্পুর্ন তাকে হয়রানী করার জন্য তার নাম ব্যবহার করা হয়েছে। তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নিষিদ্ধ এলাকায় যাতে কোন অসাধু জেলেরা প্রবেশ করতে না পারে তার জন্য টহল কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে অভয়ারণ্যে এলাকায় প্রবেশ করায় অনেক জেলেকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হ সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে এলাকায় যাতে করে জেলে মাছ ও কাঁকড়া শিকার করতে না পারে তার জন্য বন বিভাগের ম্মার্ট টিম ও বিশেষ টিমের অভিযান চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category