সবুজবাংলা২৪ডটকম, মাধবদী (নরসিংদী) : ঈদের আর মাত্র বাকি দুদিন শেষ মুহুর্তে মাধবদীর বিভিন্ন বিপনী বিতান ও নানা ধরনের পোশাক, জুতা সেন্ডেলের দোকান ছাড়াও শহরের ফুটপাতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষণীয়। শহরের বড় মসজিদ রোড, স্কুল মার্কেট, সোনার বাংলা মার্কেট সর্বত্রই এখন ঈদের কেনাকাটায় উৎসবমুখর পরিবেশ। বড় মসজিদ রোডের ফুটপাতের দোকানগুলোতে রঙিন কাপড়, পোশাক, জুতা ও ঈদের সাজসজ্জার সামগ্রী কম দামে বিক্রি হওয়ায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই রয়েছে। বড় শপিংমল বা ব্রান্ডের দোকানের তুলনায় এখানকার দাম অনেক কম হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা এই ফুটপাতের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। পোশাকের দাম শুরু হচ্ছে ২০০/৩০০ টাকা থেকে। মার্কেটগুলোতে পুরুষদের যে পাঞ্জাবি-পায়জামা ৮০০-১৫০০ টাকায় পাওয়া যায়, নারীদের শাড়ি-সালোয়ার কামিজ ১০০০-২০০০ টাকার মধ্যে সে হিসেবে ফুটপাতগুলোতে কাপড় সহ জুতা, ব্যাগ, গয়না ও অন্য পন্যের তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী মূল্যে মিলছে।
ক্রেতারা বলছেন, বাজেটের মধ্যে ভালো মানের ও আকর্ষণীয় পোশাক পাওয়া যাচ্ছে বলেই ফুটপাতের দোকানগুলোতে কেনাকাটা করতে সুবিধা হচ্ছে। এই রঙিন ফুটপাতের বাজার যেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির এক জীবন্ত স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর মুখে ঈদের হাসি ফোটানোর এই কোলাহল চলবে চাঁদরাত পর্যন্ত।
ফুলকলি থ্রিপিসের দোকান মালিক রিমন মিয়া জানান, ঈদকে সামনে রেখে তারা নতুন নতুন কালেকশনের থ্রি-পিস দোকানে এনেছেন। তিনি বলেন, ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন ডিজাইন ও মানসম্মত পোশাক সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিদিনই ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে। আশা করছি ঈদের আগের দিনগুলোতে বিক্রি আরও বাড়বে।
রাইন ওকে মার্কটের সততা কালেকশনের এর মালিক আওলাদ হোসেন জানান, ঈদকে সামনে রেখে গত কয়েক দিন ধরে দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। তিনি বলেন, ঈদের কেনাকাটার মূল সময় এখন শুরু হয়েছে। আশা করছি ঈদের আগে বিক্রি আরও বাড়বে।
ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের আগের দিনগুলোতে ভিড় আরও বাড়বে এবং কেনাকাটার উৎসাহও থাকবে তুঙ্গে। মাধবদী শহরের এই ফুটপাতের ঈদবাজার স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য ঈদের প্রস্তুতিতে এক বড় সহায়ক হয়ে উঠেছে।