• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

মাধবদীতে চার সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

মোঃ আল আমিন :
Update : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

সবুজবাংলা২৪ডটকম, মাধবদী (নরসিংদী) : চার সন্তানের জননী (৪০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে নরসিংদীর মাধবদীতে। এ ঘটনায় শুক্রবার (০৬ মার্চ) সকালে মামলা হওয়ার পর বিকালে হৃদয় মিয়া নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হৃদয় মিয়া (২৫) মাধবদী থানার খড়িয়া এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে। পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী নারী (৪০) নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার বাসিন্দা হলেও তিনি নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভা এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাড়িতে থাকেন।
গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে তিনি সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আড়াইহাজার পৌরসভা এলাকার একটি মার্কেটে ঈদের কেনাকাটা করতে যান। কেনাকাটার পর সন্তানকে বাসায় পাঠিয়ে দেন।
গত কয়েকদিন ধরে আড়াইহাজার এলাকার এক যুবকের সঙ্গে ওই নারীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল। সে সুবোদে দেখা করার উদ্দেশ্যে ওই নারী একাই মাধবদী থানার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খামারদী এলাকায় যান।
রাত ৮ টার দিকে ওই এলাকার একটি মাছের খামারের পাড়ে পৌঁছালে ওই যুবক তাকে রাস্তা থেকে পাশের পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা আরও তিন যুবকসহ ভুক্তভোগীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে বলে থানায় অভিযোগ করা হয়। এ সময় দুর্বৃত্তরা তার মোবাইল ফোন ও সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সাও নিয়ে নেয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী নিজেই বাদী হয়ে শুক্রবার মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে হৃদয় মিয়া নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ হৃদয় মিয়া নামে একজনকে কাঠালিয়া এলাকা হতে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে এবং জড়িত অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী মাধবদী থানা এলাকায় বাবা থেকে ১৫ বছরের মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটে। এ মামলায় ৮ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত সোমবার থেকে তারা ৮ দিনের রিমান্ডে রয়েছে। এ ঘটনার রেশ না কাটতেই আবার একই এলাকায় গণধর্ষণের ঘটনা ঘটল।

মাধবদীতে মশার দাপটে অতিষ্ঠ জনজীবন, নিধনে নেই কোন পদক্ষেপ
মাধবদী (নরসিংদী) সংবাদদাতা: মশার দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে নরসিংদীর মাধবদীবাসীর জনজীবন। মশা নিধনে নেই কোন কার্যকরী পদক্ষেপ। মশার উপদ্রবে টেকা কঠিন হয়ে পড়েছে মাধবদী পৌরবাসীর। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও রেহাই মিলছে না। নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
গরম কাল আসার সাথে সাথে ভয়াবহ আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে মশার বিস্তার। দিন রাত সব সময় মশার কামড়ে নাজেহাল মাধবদীবাসী। দিনের বেলায়ও অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিংবা বাসা বাড়িতে মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হচ্ছে। আর একটু সন্ধ্যা হলেই মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাচ্ছে আরও কয়েক গুন। কিন্তু মশা নিধনের জন্য প্রতি বছর বাজেট থাকলেও পৌর কর্তৃপক্ষ মশা নিধনে তেমন কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করছে না। এছাড়াও দিনের বেলায় বাসা বাড়িতে মশারি টাঙিয়ে রাখতে হচ্ছে। মশার কামড়ে মানুষজন ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। মশার অত্যাচারে কেউ কেউ সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে টোল করে লিখেছেন, “বাড়ি-ঘর সব মশার আমি শুধু ভাড়া থাকি” আবার “মুরগীর খামার বাদ দিয়ে মশার খামার দিছস কেডা..?” এলাকাবাসী জানায়, ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথেই মশার উপদ্রব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে মাধবদী পৌরশহরসহ আশপাশের বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম গঞ্জে। এতে মানুষের দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। কয়েল, স্প্রে বা মশারি টাঙ্গিয়েও মশার উৎপাত থেকে রেহাই পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। কেউই স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারছেন না। মাধবদী পৌরশহরটি শিল্পাঞ্চল হওয়ায় মিল ও কলকারখানার দূষিত বর্জ্য, বিভিন্ন স্থানের জমে থাকা নোংরা পানি এবং যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলায় এ অঞ্চলটি মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। পৌর এলাকার কোথাও নির্দিস্ট ডাস্টবিন না থাকায় যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলায় সেইসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার না করায় মশার বিস্তার ক্রমশ বাড়ছেই। আর এতে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। তাছাড়া মশার উৎপাতে স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পড়াশুনারও চরম ব্যাঘাত ঘটছে।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, সারাদিন মশার উপদ্রব থাকলেও সন্ধ্যার পরপরই এই উৎপাত আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। ফলে সন্ধ্যায় মশার কয়েল জ্বালিয়ে বা স্প্রে করে শিক্ষার্থীদের পড়তে বসতে হচ্ছে। এমনকি মশার উৎপাতে নাজেহাল হয়ে মশারি টাঙ্গিয়ে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া করতে হচ্ছে। অনেকই মশার কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
মশা নিয়ন্ত্রণে পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ে না। মাধবদী পৌরসভা ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ফলে প্রতিনিয়ত মশার বংশ বৃদ্ধি ঘটছে। দ্রুত মশার বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category