• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ঐতিহাসিক বদর দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
Update : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : ১৭ই রমজান, ইসলামের ইতিহাসের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অলৌকিক বিজয়ের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক বদর দিবস। প্রায় দেড় হাজার বছর আগে দ্বিতীয় হিজরির এই দিনে মদিনা থেকে প্রায় ৮০ মাইল দূরে বদর প্রান্তরে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
যুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও শক্তির অসমতা :
ইসলামের ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম বড় ধরনের সম্মুখ সমর। একদিকে ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে মাত্র ৩১৩ জন অপ্রস্তুত সাহাবী, অন্যদিকে আবু জাহেলের নেতৃত্বে ছিল ১,০০০ সুসজ্জিত সৈন্যের বিশাল কুরাইশ বাহিনী। মুসলিম বাহিনীর কাছে ছিল মাত্র ২টি ঘোড়া ও ৭০টি উট, বিপরীতে কুরাইশদের ছিল ১০০টি ঘোড়া ও ৬০০টি বর্ম। দীর্ঘদিনের অত্যাচারের পর ভিটা বাড়ি ছেড়ে মক্কা থেকে মদিনা হিজরত করার পরও লাগাতার চলতে থাকা অসামান্য জুলুম ও উস্কানির প্রতিবাদে, অকল্পনীয় ধৈর্য্য ধারণের পরে মুসলমানদের অস্ত্র ধারণের অনুমতি দেন আল্লাহ তায়ালা। তার প্রথম পরীক্ষা মঞ্চায়ন হয় বদরের ময়দানে।
আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য ও বিজয় :
পবিত্র কুরআনে এই দিনটিকে ইয়াওমুল ফুরকান বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। যুদ্ধে সংখ্যাগতভাবে বহুগুণ পিছিয়ে থাকলেও মুমিনদের অটল বিশ্বাস ও আল্লাহর পাঠানো বিশেষ সাহায্যে মুসলিম বাহিনী বিজয় লাভ করে। যুদ্ধে আবু জাহেল ও উতবার মত শীর্ষ কুরাইশ নেতাসহ ৭০জন কাফের নিহত হয় এবং সমসংখ্যক বন্দি হয়। অন্যদিকে মুসলিমদের মধ্যে মাত্র ১৪ জন সাহাবী শাহাদাতবরণ করেন।
বদরের গুরুত্ব ও শিক্ষা:
এই বিজয় মদিনায় সদ্যজাত ইসলামি রাষ্ট্রের ভিত্তি মজবুত করে এবং বিশ্বব্যাপী ইসলামের প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। বদরের শিক্ষা হলো- ন্যায়ের পথে অটল থাকলে ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখলে যেকোনো অপশক্তির বিরুদ্ধে জয় লাভ করা সম্ভব। প্রতি বছর এই দিনে মুসলিম উম্মাহ আলোচনা সভা ও দোয়ার মাধ্যমে ইসলামের ইতিহাসের সেই বীরত্বগাথা স্মরণ করে।
তবে শুধুই কি দিবস হিসাবে স্মরণ করলেই দায়িত্ব ফুরিয়ে যায়? বদরের যে ঈমানি শক্তি তা সম্মান করা, নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করা, আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের তামান্না রাখা, বদর যুদ্ধের শহীদ ও গাজীদের মতো আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা এবং সে বিশ্বাস ধরে রাখাই একজন মুসলিমের জীবনে বদর দিবসের মূল দাবি ও উদ্দেশ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category