• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

মঠবাড়িয়ায় মাদ্রাসা কমিটির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম ফরাজি :
Update : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মধ্য বড়শৌলা ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির সুপার মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলেও সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি বিভিন্নভাবে তাকে হয়রানির চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি মাদ্রাসার সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ০৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে সরকারি বিধি মোতাবেক মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম। নির্বাচনের পর চতুর্থ শ্রেণির কয়েকটি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য ২৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই ঝামেলা শুরু হয় বলে দাবি করেন সুপার নাসরুল্লাহ। তার অভিযোগ, স্থানীয় বাবুল খানের ছেলে জহিরুল ইসলাম ওরফে জহির, হারেজ আলী খানের দুই ছেলে বেল্লাল খান ও শাহাদাত খান, এবং মোসারেফ খানের ছেলে জাহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। শুধু তাই নয়, প্রতি মাসে নিয়মিত ৩ হাজার টাকা ‘মাসওয়ারা’ দেওয়ার কথাও বলা হয়। এমনকি তার কাছ থেকে জোর করে ব্ল্যাঙ্ক চেক নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও জানান তিনি।
চাঁদা না পেয়ে প্রতিপক্ষরা ক্ষুব্ধ হয়ে পিরোজপুর দেওয়ানি আদালতে জহিরুল ইসলাম ওরফে জহির বাদী হয়ে সুপার, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। সুপারের দাবি, মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং হয়রানিমূলক। মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছেন। গত ০৭ নভেম্বর ২০২৫ বিকেলে মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে পাঠানো বক্তব্যে তিনি জানান, ১৯৯৫ সাল থেকে মাদ্রাসার সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছেন। মাদ্রাসা সুপার ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা বলেন,“আমরা মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির মতো হয়রানি থেকে মুক্তি চাই। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category