সবুজবাংলা২৪ডটকম, খাগড়াছড়ি : খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার বড়নাল ইউপির মুসলিম পাড়া ও কদমতলী সড়কের নির্মাণাধীন কাজ বর্তমান বন্ধ। কয়েক গ্রামের মানুষের চলাচলে ভোগান্তি নিরশনে, অতি দ্রুত সড়কের কাজ সম্পন্ন করার দাবি এলাকাবাসীর। স্থানীয়দের ডাকে, সরেজমিনে সাংবাদিক নিউজের তথ্য সংগ্রহ কালে জানা যায়। উক্ত রাস্তায় চলাচল কারি প্রায় (৮-১০)টি গ্রামের মানুষ ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে বলে জানান তারা। গতবছর কাজটি শুরু হলেও বর্ষার কারণ দেখিয়ে বা সরকার পরির্বতনের কারণে নির্মাণাধিন কাজটি বন্ধ রয়েছে বলে জানান এলাকাবসসী। স্থানীয়রা বলেন, গতবছরের কাজ এখনো তারা শেষ করতে না পারার কারণে সাধারণ মানুষ কষ্টের সমক্ষিন হচ্ছে বলেন এলাকাবাসী।
সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য হলেও, এ বন্ধ কাজটি চালু ও দ্রুত রাস্তার কাজ শেষ করে, প্রায় (৮ -১৯) টি গ্রামের আনুমানিক (১০ – ১২) হাজার মানুষের কষ্ট বা ভোগান্তি দূর করতে দাবী জানান এলাকার সাধারণ মানুষ।
বড়নাল ৩’নং ইউপির স্থানীয়বাসীন্দা, মজিবর রহমান ও মোঃ সাফিকুর রহমান, নুরুল আলম মেম্বার সহ আরো অনেকে বলেন, জনগণের সুবিধার জন্য সরকার কোটি টাকা ব্যয় করে রাস্তা নির্মাণ করছে।
এই রাস্তা নির্মাণ সময়কালে অল্প সময় জনগণের চলাফেরায় অসুবিধা হবে এটা স্বভাবিক। কিন্তু দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ রেখে সাধারণ মানুষকে কষ্টের মধ্যে ফেলা উচিত না। তাই আমরা ( সাংবাদিক) আপনাদের মাধ্যমে উক্ত কাজের দায়িত্বরত অফিস বা দায়িত্বরত ঠিকাদারকে অনুরোধ করছি, উনারা যেন সাধারণ মানুষের চলাচলে বা মালামাল বহনের সুবিধার জন্য অতিদ্রুত মানুষের ভোগান্তি দুর করার জন্য, এই রাস্তার উন্নয়ন কাজটি শেষ করার জন্য দাবী জানাচ্ছি বলেন এলাকাবাসী। বড়নাল এলাকার নুরুল আলম (সাবেক মেম্বা) বলেন, রাস্তার কাজে ১০০’ভাগ পিউর বালু দিয়ে কাজ করার কথা থাকলেও, তারা পাহাড়ের লালবালুমিস্রীত বালুমাটি বলেও পরিচিত বালু দিয়ে কাজ করার অভিযোগ করেন তিনি। সরেজমিনে প্রমান হিসাবে ম্যেকাডম ও পাহাড়ের লালবালু ও কংকর মিস্রীত বড় স্থুপও রয়েছে, তা তিনি প্রমান হিসাবেও উল্লেখ করেন।
এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, একবছর সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নিয়ম রয়েছে -যা আগামী ১৮-০২-২৬’ইং তারিখ পর্যন্ত কাজের মেয়াদ রয়েছে। ফার্মের নাম এস অনন্ত ত্রিপুরা এন্টার প্রাইজ – খাগড়াছড়ি।
কাজের নাম ও অর্থবছর, বোর্ডবাজার থেকে কদমতলী হয়ে বিওপি পর্যন্ত, প্রকল্পের নাম সিএইচটি আর আই ডিপি ও অর্থবছর (২৪-২৫) কাজের পরিমান ৩’কিলোমিটার। কাজের ঠিকাদার বাবু অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরাকে একাধিক বার ফোন করেও, কল রিসিভ হয়নি। মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আমজাদ হোসেন বলেন, আমি নতুন মাত্র যোগদান করেছি। সবকিছু জানতে কিছুদিন সময়তো অবশ্যই লাগবে, আর যেটা আমি বা আমরা বলতে পারি – যে এলজিইডির কাজে কোন প্রকার অনিয়ম এর সম্ভাবনা নেই।
তিনি আরো বলেন, কাজের সময়ে, আমরা যথেষ্ট শতর্ক থাকি এবং দেখাশোনা করি। আর নিদ্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলেও আশা রাখি। এর পরেও কিছু কিছু সাইডে সময় একটু এদিক সেদিক হয়। তবে আমাদের চেষ্টা সব সময় থাকে, যথা সময়ে কাজ শেষ করার বলেও জানান তিনি।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একজন বলেন, পাহাড়ি এলাকা (বর্ষার জন্য ) কাজ বন্ধ ছিলো। তবে কাজের সময় এখনো রয়েছে, আমরা আশা করি নিদ্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হবে বলেও জানান তিনি।
খাগড়াছড়ি জেলা এলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকৌলশী বলেন, আমাদের কাজে কোন অনিয়ম করার সুযোগ নেই। আমাদের লোক সার্বক্ষনিক সব কাজ তদারকি করে থাকেন। তবে এলাকাবাসীর কোন অভিযোগ থাকলে তাৎক্ষণিক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে ডেকে সমাধান করা হয় এবং সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করা হয় বলেও জানান তিনি।
খাগড়াছড়ি জেলা হাতপাখা প্রার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারের, প্রতিবাদে সাংগঠনিকভাবে প্রেস বিবৃতি প্রদান
মো: লোকমান হোসেন খাগড়াছড়ি : খাগড়াছড়ির জেলা শাখার বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের, হাতপাখা প্রার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অডিও প্রচারের প্রতিবাদ প্রেস বিবৃতি দিয়েছে, খাগড়াছড়ি জেলা ইসলামী আন্দোলন। আজ ২১-১১-২৫’ইং তারিখ রোজ শুক্রবার সকাল ১১’৩০টাকায় ইমেইল যোগে পাঠানো এ প্রেস বিবৃতিতে তারা জানান, আপনারা সকলে অবগত আছেন যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি সুনাম ধন্য রাজনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনের দায়িত্বশীল কোন প্রকার অসমাজিক,দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ততা থেকে রাজনীতি করার সুযোগ নেই। গত জুলাই ২০২৫ ইংরেজীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি মাওলানা কাউছার আজিজীর বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরার সমর্থনে অর্থের বিনিময়ে বিক্ষোভ মিছিল করতে জন শক্তি দেওয়ার অভিযোগ উঠে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় কমিটির একটি প্রতিনিধি টিম কাউছার আজিজী আসলেই এই ঘটনার সাথে জড়িত আছে কিনা এ বিষয়ে তদন্ত করেন। এক সাপ্তাহের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে কাউছার আজিজী অর্থ লেনদেন ও জনশক্তি দিয়ে সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরার জন্য কোন বিক্ষোভ মিছিল করেছে বা কোন অর্থ লেনদেন হয়েছে মর্মে প্রমানিত হয়নি। কিন্তু দুঃখের সাথে আমরা লক্ষ্য করছি যে, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার তিনবারের নির্বাচিত জেলা সেক্রেটারি ও পীর সাহেব চরমোনাই মনোনীত হাতপাখার এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা কাউছার আজিজী কে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম প্রফুল্ল সাংবাদিকতার আড়ালে একটি চিহ্নিত দলের এজেন্ট হয়ে কাউছার আজিজী বিরুদ্ধে সামাজিত যোগাযোগ মাধ্যমে একটি অডিও বানিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার করে যাচ্ছে। যা সম্পন্ন মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক এইচ এম প্রফুল্লের এমন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন ও জেলা আমেলার সকল সদস্য বৃন্দ তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। জেলার সভাপতি ও আমেলার সকল সদস্য বৃন্দ আরো বলেন এইচ এম প্রফুল্লের উচিত তিনি কি রাজনীতি করছেন নাকি সাংবাদিকতা করছেন? এ বিষয়ে আমরা সন্দিহান। একজন সাংবাদিক ও জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হয়ে পেশাদারিত্ব আচরণ না করে একটা দলের হয়ে কাজ করা এটা জাতির বিবেক সাংবাদিকদের জন্য বিব্রতকর।
সাথে সাথে আমরা প্রত্যাশা করি এইচ এম প্রফুল্লের কাছে যদি অর্থ লেনদেনের কোন প্রমান থাকে বা জনশক্তি দিয়ে মিছিল করিয়েছে এমন সত্যনির্ভর তথ্য থাকে তাহলে তা জাতির সামনে উপস্থাপন করুন। আর যদি না থাকে তাহলে এইচ এম প্রফুল্লের উচিত সাংবাদিকতার আড়ালে কোন দলের হয়ে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন না করে সাংবাদিক হিসেবে পেশাদারিত্ব আচরণে ফিরে আসুন ও মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার বন্ধ করার আহ্ববান করছি। অন্যথায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারকৃত অডিওর কোন সতত্যা প্রমান করতে না পারলে আমরা সাংগঠনিক ভাবে হাতপাখার প্রার্থীর মানহানীর অভিযোগে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবো। প্রেস বার্তা প্রেক মোঃ ওমর হাসান, দপ্তর সম্পাদক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ – খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।