সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : নোয়াখালীর ৬টি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রতি আসনে দলের একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি প্রাথমিকভাবে ২৩৭ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানের চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নোয়াখালী-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, সাবেক এমপি, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবি সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী- ২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক বিরোধী দলীয় চিপ হুইফ ও সাবেক এমপি জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্য ফখরুল ইসলাম, নোয়াখালী-৬ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামিম। নোয়াখালী-৫ ও নোয়াখালী-৬ আসনে এবার নতুন মুখ দিলো বিএনপি। প্রার্থী ঘোষনার পর মনোনয়ন পাওয়া নেতাদের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দিপনা দেখা দিয়েছে। অনেকে নেতার ছবি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
নোয়াখালী সেনবাগে“হাবিব উল্যাহ চৌধুরী মেধা বৃত্তি” পরীক্ষায় চরম বিশৃঙ্খলা-ভুল কেন্দ্র, হয়রানির শিকার শিক্ষার্থী-অভিভাবক।
একেএম শাহজাহানঃ শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সেনবাগ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত “মরহুম হাবিব উল্যাহ চৌধুরী মেধা বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫”-তে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা জানান, সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রে কেন্দ্র হিসেবে সেনবাগ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম থাকলেও পরীক্ষার দিন কেন্দ্রে এসে জানানো হয়, তাদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সেনবাগ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেকে বলেন, “একবার পরিবহন ভাড়া দিয়ে পাইলট স্কুলে আসার পর আবার দ্বিতীয়বার ভাড়া দিয়ে বালিকা বিদ্যালয়ে যেতে হয়। এতে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিও হয়েছে।” সচেতন অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এমন মেধা বৃত্তি পরীক্ষার নামে বিশৃঙ্খলা আমরা আগে কখনো দেখিনি। মনে হচ্ছে ব্যবস্থাপনা ঠিকভাবে না করে বৃত্তি পরীক্ষার নামে অর্থ লুটেপুটে খাওয়ার পায়তারা চলছে।” অভিভাবকদের অনেকে অভিযোগ করেছেন, পরীক্ষার কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলাও বজায় রাখা হয়নি; বিশৃঙ্খলার কারণে কয়েকজন অভিভাবক ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁদের সন্তানদের নিয়ে ফিরে যান। তাঁরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “এভাবে নানা নামে-বেনামে বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সময়, অর্থ ও মানসিকতার ক্ষতি করা হচ্ছে-এর দ্রুত প্রতিকার জরুরি।”