• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যায় উন্নীত হওয়ায় দোয়া ও আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
Update : মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) : পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হওয়ায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সভাকক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ননী গোপাল রায় সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত ইসলামী মনোনীত পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ সাঈদী। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ওয়ালিউর রহমান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী’র সাবেক আমীর হাবিবুর রহমান, বর্তমান আমির মাওলানা আলী হোসেন, প্রেসক্লাব সভাপতি খান নাছির উদ্দিন, রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ শাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রমজান আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি তৌহিদুর রহমান রাতুল, প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান খান, উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি গাজী আবুল কালাম, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃতৃন্দ এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ইনডোর সেবা চালু করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে মাসুদ সাঈদীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ননী গোপাল রায়ের সহযোগীতায় কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে।
তবে এখনো প্রয়োজনীয় ডাক্তার, জনবল ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতির সংকট রয়েছে। পূর্ণঙ্গ সেবা চালু হলে উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ এর সুফল ভোগ করতে পারবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category