• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ইন্দুরকানীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাউল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) : পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার ৫নং চন্ডিপুর ইউনিয়নে সরকারের স্বল্পমূল্যের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রিত চাউলে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ডিলারের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার সকালে চন্ডিপুর বাজারে চাউল বিতরণের সময় প্রতি বস্তায় ৩০ কেজির পরিবর্তে ২৭ থেকে ২৮ কেজি করে চাউল দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন সুবিধাভোগীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডিলার পক্ষ ওজন মাপার যন্ত্র ব্যবহার না করে বালতি দিয়ে চাউল মেপে বিতরণ করছে। পরে কিছু সুবিধাভোগী অন্যত্র চাউল ওজন করলে প্রতিটি বস্তায় ২ থেকে ৩ কেজি কম পাওয়া যায় বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
এলাকাবাসী জানান, অক্টোবর মাসের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫নং চন্ডিপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে চাউল বিতরণ করা হয়। খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাউল দেওয়ার কথা থাকলেও প্রকৃতপক্ষে ২৭ থেকে ২৮ কেজি করে দেওয়া হচ্ছে।
৮নং ওয়ার্ডের কার্ডধারী অনিক চন্দ্র দাস বলেন, “আমাকে ৩০ কেজির জায়গায় ২৮ কেজি চাউল দেওয়া হয়েছে।” একই অভিযোগ করেন ৯নং ওয়ার্ডের কার্ডধারী আবুল কালাম, তিনি বলেন, “২৮ কেজি চাউল দিয়েই শেষ করেছে, কিছু বললে ঝামেলা হয়।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সুবিধাভোগী জানান, “প্রতিবারই ৩০ কেজি চাউল নেওয়ার পর অন্য দোকানে ওজন দিলে ২-৩ কেজি কম পাওয়া যায়।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার নবীন এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মোঃ আব্দুল হাই বলেন “আস্ত বস্তায় দিলে সমস্যা হতো না। আমরা ১৭ লিটার বালতি দিয়ে মেপে দিচ্ছি, একটু কম-বেশি হতে পারে। সকাল থেকে প্রায় ১৫০ কার্ডধারীকে চাউল দেওয়া হয়েছে, এখন আমরা ঠিকমত মেপে দিচ্ছি।” এই বিষয়ে ইন্দুরকানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান- বিন মুহাম্মদ আলীর কাছে জানতে চাইলে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category