সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) উপাচারে্যর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নোবিপ্রবির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। অন্যদিকে ইস্তাম্বুল কালচার ইউনিভার্সিটির পক্ষে স্বাক্ষর করেন, ইরাসমাস ইনস্টিটিউশনাল কো-অর্ডিনেটর সেককিন তাইগুন আলটিনতাস। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, আমি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় ইরাসমাস প্লাস মোবিলিটি প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে অংশীদার হিসেবে বেছে নেয়ার জন্য ইস্তাম্বুল কালচার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর অধ্যাপক ড. ফাদিমে ইউনে ইউকসেকটেপের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এ দুটি বিশ্ববিদ্যালয় যদি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে কাজ করে, তাহলে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ই উপকৃত হবে। প্রত্যাশা করছি এ চুক্তিটি নোবিপ্রবির বিজ্ঞানী এবং গবেষকদের বিজ্ঞান, প্রকৌশল, ব্যবসা এবং সামাজিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ-সহযোগিতামূলক গবেষণা পরিচালনার দ্বার উন্মোচিত করবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ, নোবিপ্রবি শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: জাহাঙ্গীর সরকার, ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশান এন্ড এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক ও ইরাসমাস প্লাস প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. রোকনুজ্জামান সিদ্দিকী, নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিন, নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. খালেদ মেহেদী হাসানসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।
নোয়াখালীতে আদালতে বাদীকে হত্যার চেষ্টা, থানায় গিয়ে রক্ষা
একেএম শাহজাহান : হত্যাচেষ্টা মামলার আসামিরা বাদী ও ভুক্তভোগীকে নোয়াখালী জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে হত্যাচেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী বাদী সুধারাম থানায় আশ্রয় নিয়ে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। রবিবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে জেলা জজ আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন সুধারাম থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, ‘কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মতিন তোতার ছেলে ইব্রাহিম তোতার (৪৪) নেতৃত্বে তোতা বাহিনীর সদস্যরা আমাকে হত্যার চেষ্টা করে। এরআগে গত ১৭ আগস্ট এ বাহিনীর সদস্যরা আমাকে গলাকেটে হত্যার চেষ্টা করে। ওই মামলা তুলে নিতে তারা আবার হত্যার চেষ্টা করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের ভয়ে আমি সুধারাম থানায় আশ্রয় নিই। পরে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ শাহাদত হোসেনের পরামর্শে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর থেকে চরএলাহী ইউনিয়নে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিয়ে তোতা বাহিনী গঠন করে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি করে আসছে সাবেক চেয়ারম্যান তোতার ছেলেরা। তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বেগমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। এলাকায় তারা আবেদ গ্রুপের সদস্য হিসেবে পরিচিত। এসব বিষয়ে জানতে অভিযুক্তদের খোঁজ করে পাওয়া যায়নি। চর এলাহী বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, ওই গ্রুপের সদস্যরা পুলিশের ভয়ে আত্মগোপনে থাকেন। মাঝে মাঝে এলাকায় দেখা যায়। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ শাহাদত হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি শোনার পর বাদিকে আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’ সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় সাধারণ ডায়েরি (নম্বর-৭৩২) রুজু করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।