• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

কয়রায় জামায়াতের ছাত্র-যুব সমাবেশে গোলাম পরওয়ার

নিজস্ব প্রতিনিধি :
Update : শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, কয়রা (খুলনা) : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অস্থিরতা ততই বাড়ছে। দুই একজন উপদেষ্টা এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা গোপনে ষড়যন্ত্র করে একটি দলকে ক্ষমতায় নেওয়ার অপচেষ্টা করছে। এসব চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রের গোপন পথ ছেড়ে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার স্বার্থে তিনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, জুলাই সনদে পিআর অন্তর্ভুক্ত এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার পর নির্বাচন হলে তা সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতা পাবে। শনিবার বিকেলে কয়রা উপজেলা জামায়াত আয়োজিত ছাত্র যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ২৪ এর গণ আন্দোলনের ছাত্র-জনতার যুদ্ধ ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। আর আমাদের দ্বিতীয় যুদ্ধ হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে। সেই দ্বিতীয় যুদ্ধে ছাত্র-জনতাকে জাতীয় সংসদের নির্বাচনের মাধ্যমে ইসলামের পক্ষের শক্তিকে পাঠাতে হবে। সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, “জামায়াতে ইসলাম ক্ষমতায় গেলে প্রথম কাজ হবে বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে এমন ব্যবস্থা চালু করা, যাতে সবার শিক্ষা নিশ্চিত হয়। দ্বিতীয় কাজ হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠন।” তিনি আরও বলেন, সুবিচার প্রতিষ্ঠায় কুরআনের আইনকে সংসদে পাঠাতে হবে এবং কুরআনের ভিত্তিতে সমাজ গঠন করতে হবে। এজন্য তিনি দাড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। কয়রা উপজেলা জামায়াতের আমির ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক খুলনা-৬ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী শেখ. সায়ফুল্যাহ’র পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামীর ছাত্রশিবিরের স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক নোমান হোসেন নয়ন, খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস ও গাউসুল আযম হাদী, খুলনা জেলা উত্তরের সভাপতি আবু ইউসুফ ফকির, খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, খুলনা দক্ষিণ জেলা সভাপতি আবু জার আল গিফারী ও সেক্রেটারি মো. অয়েস কুরুনী, কয়রা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজাউদ্দীন, ইনলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের খুলনা জেলার সহ-সভাপতি হাফেজ মোহাম্মদ আসাদুল্যাহ আল গালিব, কয়রা উপজেলা হিন্দু কমিটির সাধারণ সম্পাদক কিরন চন্দ্র মন্ডল, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন আমীর মাওলানা মতিউর রহমান, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন আমীর জি এম নূর কামাল, কয়রা ইউনিয়ন আমীর জি এম মিজানুর রহমান, মহারাজপুর ইউনিয়ন আমীর সাইফুল্লাহ হায়দার, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন আমীর মৌলভী আবু সাঈদ, বাগালী ইউনিয়ন আমীর হাফেজ মাওলানা আব্দুল হামিদ, আমাদী ইউনিয়ন আমীর মাওলানা সাজ্জাদুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কয়রা দক্ষিণ থানার সভাপতি আসমাতুল্লাহ আল গালিব, কয়রা আদর্শ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. মাজহারুল ইসলাম, কয়রা উত্তর থানা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, হাফেজ আল আমীন, হাফেজ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

কয়রায় মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি : কয়রায় মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানী করার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মোঃ ওসমান গনি বিশ্বাসের পুত্র হাবিবুর রহমান। শনিবার (১১ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, গত ৮ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে একই এলাকার রমিছা খাতুন আমার বিরুদ্ধে মুজিব বর্ষের ঘর দেওয়ার কথা বলে ৬০ হাজার টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ করেছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত ঘটনাটি হলো শ্রীরামপুর মৌজায় ১নং খতিয়ানে ২১৬ নং দাগে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মুজিব বর্ষের ঘর দেওয়া হয়। ঐ জায়গায় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় অসহায় রোকেয়া খাতুনকে একটি ঘর দলিল মুলে প্রদান করেন। ঐ ঘরটি পুর্বে রমিছা খাতুন দখলে রাখে। পরবর্তিতে তাকে ঐ জায়গা হতে বের করে দেওয়ার কারনে সে বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানী করছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, আমি অসহায় রোকেয়া খাতুনের পক্ষে সহযোগিতা করায় সেই থেকে রমিছা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারই রেশ ধরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করে হয়রানী করছে। আমি কখনও এ ধরনের টাকা নেওয়ার কাজের সহিত জড়িত নেই। এ ছাড়া আমাকে আওয়ামীলীগ নেতা বানিয়ে মান সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত নেই। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমি এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category