• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপির আস্থার প্রতীক নুরুল ইসলাম আনছার প্রমানিক

মাহমুদ শরীফ :
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, কুমারখালী (কুষ্টিয়া) : আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম আনছার প্রামানিক একজন ব্যবসায়িক, শিল্পপতি, সমাজসেবক এবং বলিষ্ঠ রাজনীতিক। কুমারখালীর উন্নয়নের কারিগর তিনি। একজন নেতা এবং লড়াই-সংগ্রামের যে প্রতীক সেটা তার জন্য প্রযোজ্য। বিগত ১৭ বছর ধরে তিনি আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদ এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াই করেছেন। কুষ্টিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু নাম সময়ের সীমানা পেরিয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী হয়ে থাকাদের মধ্েয এই প্রবীণ রাজনীতিক নেতা জিয়ার আদর্শিক সৈনিক আনছার। কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালি ও খোকসা) আসনে বিএনপির এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি। ধানের শীষ আর গণতন্ত্রের প্রতীক তিনি সেটা প্রমাণিত সত্য। রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আর কর্ম দক্ষতার জন্য জনগণের প্রিয় নেতা হয়েছেন বহু আগেই। হয়েছেন তৃণমূলের আস্থাভাজন। আনছার প্রামানিক শুধু নেতাই নন, তিনি স্থানীয় বিএনপির কর্মীদের আশ্রয়স্থল। বিপদে পড়লে তাঁর কাছে ছুটে যায় সাধারন জনগন। তিনি কাউকে কখনো নিরাশ করেননি। তার সহজ-সরল জীবনযাপন, আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক, সাংগঠনিক দক্ষতা ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতৃত্ব অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
জানা যায়, রাজনৈতিক ভাবে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে আসীন। সফলতার সাথে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি করে দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন। আবার হয়েছেন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক। এর আগে আনছার প্রামানিক কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি সদস্য, কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি, কুমারখালী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন।
উন্নয়নের রুপকার ও সফল শিল্পপতি আর উদ্যোক্তা এই নেতা বেশ কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাও। বিশেষ করে নুরুল টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ, আনছার এগ্রো ফুড প্রোডাক্টস লিঃ, জাকারিয়া প্রসেস মিলস্, কুমারখালী ডাইং এন্ড প্রিন্টিং, জাকারিয়া ইউভিং লিঃ, জাকারিয়া ওয়েট এন্ড স্কেল অন্যতম। কয়েক শত শ্রমিক এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করে জীবন নির্বাহ করছে।
আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম আনছার প্রামানিকের পিতা হাজী মরহুম মন্তাজ আলি প্রামানিক, তিনি প্রথম সন্তান। স্ত্রী সেলিনা আনছার কুষ্টিয়া জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলে সহ-সভাপতি। একমাত্র ছেলে জাকারিয়া মিলন যুবকদের আইকন। ছেলেও পিতার মত রাজনীতিতে চরম সক্রিয়। বর্তমানে জাকারিয়া মিলন কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুমারখালি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক।
সফল জনপ্রতিনিধি নুরুল ইসলাম আনছার প্রামানিক প্রথমে কুমারখালী পৌরসভার কমিশনার নির্বাচিত হন। এরপর কুমারখালী পৌরসভার চেয়ারম্যান হন প্রথম বার ১৯৮৪ সালে। দ্বিতীয় বার ১৯৮৯ সালে। এবং তৃতীয় বার ১৯৯৩ সালে। পৌর এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করায় এই পৌর পিতাকে জনগন ৪র্থ বার ২০০৪ সালে মেয়র নির্বাচিত করে। আগামী সংসদ নির্বাচনে কুমারখালী ও খোকসা উপজেলার ভোটাররা এই নেতাকে বিজয়ী করতে আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছে। কুমারখালীর ২লাখ ৮৬হাজা ৮শত ২৯ ও খোকসা উপজেলার ১লাখ ১৫হাজার ৯শত ৮৯জন ভোটার সামাজিক উন্নয়নের রুপকার আনছার প্রামানিককে এমপি হিসেবে বেছে নিবে এমন জনশ্রুতি ও জোয়ার উঠেছে।
ভোটাররা মনে করছেন আগামীর নির্বাচনে কুমারখালী ও খোকসা অঞ্চলে তার হাত ধরে বহু গ্রামীণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তনসহ অসংখ্য উন্নয়ননমূলক কাজ হবে। জনপ্রিয় এই নেতা ও ছেলে একসাথে রাজনৈতিক সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন, বহু মামলা মোকদ্দমা সহ্য করেছেন, জুলুমের শিকার হয়েছেন, তবুও আন্দোলন থেকে পিছপা হননি। আনছার প্রামানিক ও ছেলে জাকারিয়া মিলনকে কুষ্টিয়া, খুলনা, রাজশাহী ও ঢাকা পর্যন্ত দলের সকল কর্মসূচিতে নিবেদিতভাবে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কুষ্টিয়া-৪ আসনটি বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দলের শক্তি পুনর্গঠন এবং মাঠে আন্দোলনে নুরুল ইসলাম আনছার প্রামানিকের নেতৃত্বই তৃণমূলে নতুন উদ্দীপনা জাগাতে সক্ষম হয়েছে। তিনিই একমাত্র আস্থার প্রতীক। এবার ধানের শীষের মার্কা আনছার প্রামাণিকের হাতে তুলে দিবে বলে তৃণমূলের অনেক বিএনপি নেতা কর্মী মনে করছে। এই আসনে তার নেতৃত্বে বিএনপি পুনরায় বিজয়ী হবে এবং কুমারখালি ও খোকসার মানুষ স্বপ্ন পূর্ণ করবে এমন প্রত্যাশা করেছে কর্মীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category