সবুজবাংলা২৪ডটকম, কয়রা (খুলনা) : খুলনার কয়রা উপজেলায় আগামী ১১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বিকাল ৩ টায় জামায়াতে ইসলামীর কয়রা উপজেলার নিজস্ব কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা জামায়াতের আমির ও কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মোঃ শেখ সাইফুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজা উদ্দিন,জামায়াত নেতা হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় কয়রা উপজেলার আমির মাওলানা মিজানুর রহমান বলেন, ছাত্র জনতার সমাবেশে উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যানার, ফেস্টুন ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের উপস্থিতি ঘিরে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বেশ উৎসাহ- উদ্দীপনার দেখা যাচ্ছে। আশা করছি,এই সমাবেশে স্মরণ কালের সেরা লোকজনের গণ জমায়েত ঘটবে। এ সময় তিনি সমাবেশে সফল করার জন্য কয়রা উপজেলার সকল সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। মতবিনিময় সভায় কয়রা উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
কয়রায় রেকর্ডীয় জমি দখল ও গাছ জোরপূর্বক কেটে নেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি : কয়রা উপজেলার ঘুগরাকাটি মৌজায় পৈতৃক রেকর্ডীয় জমি জোরপূর্বক দখল ও বাগানের গাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি। ঘুগরাকাটি গ্রামের মৃত ফজর আলী সানার ছেলে আঃ রাজ্জাক বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, ঘুগরাকাটি গ্ৰামের মৃত জালাল সানার ছেলে মোঃ আফজল হোসেন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তার পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করে নিয়েছেন। দখলদারিত্বের শিকার হয়ে তিনি নিজ গ্রাম ছেড়ে বর্তমানে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরায় অতি কষ্টে বসবাস করছেন বলে জানান।
আঃ রাজ্জাক সানা জানান, তার পৈত্রিক এস.এ খতিয়ান নং-১৭৪, দাগ নং-১৫০ ও ১৫৮-এর মোট ০.৫৩ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে আফজল হোসেন সানা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছেন। এই জমিতে লাগানো বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ১ অক্টোবর আফজল হোসেন সানা প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের এই গাছপালা জোরপূর্বক কেটে স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রি করে দেন। বিষয়টি জানার পর গত ৪ অক্টোবর কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কর্তনকৃত কাঠ তার হেফাজতে নেন।
আঃ রাজ্জাক সানার দাবি, অভিযুক্ত আফজাল হোসেন সানা প্রভাবশালী হওয়ায় এবং বিগত ক্ষমতাসীন দলের সাথে সংশ্লিষ্টতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটিয়েছেন। এখনও সেই দাফট খাটাচ্ছেন। তিনি পুলিশ হেফাজতে থাকা কাঠও বিক্রি করার লক্ষ্যে স্থানান্তর করার পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে আঃ রাজ্জাক সানা তার পৈত্রিক সম্পত্তি এবং কেটে ফেলা কাঠসহ সকল সম্পদের নিরাপত্তা চেয়েছেন। তিনি প্রশাসনের কাছে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। পাশাপাশি, পুলিশ হেফাজতে থাকা কর্তনকৃত কাঠগুলো যাতে তিনি বা তার পরিবার ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করার সুযোগ পান, সে বিষয়েও তিনি কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি সংবাদ সম্মেলনের
মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তার পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষার জন্য জোরালো অনুরোধ জানান।