সবুজবাংলা২৪ডটকম, সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) : ৬ অক্টোবর (সোমবার) সকালে নোয়াখালী চাটখিলে রুশ বাংলা কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো বিভিন্ন প্রকার গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি। তথ্য নিয়ে জানা যায়,চাটখিল বাজারের সেন্ট্রাল হসপিটালের সামনে বিতরণ কার্যক্রম করা হয়। উক্ত গাছের চারা বিতরনী কর্মসূচিতে রুশ বাংলা কল্যান সংস্থার সদস্য সচিব জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে বিতরণ কার্যক্রমে মাহফুজ মোরশেদ কাকন,জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ (রুশ বাংলা কল্যান সংস্থার আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক), মোঃ সোহেল (রুশ বাংলা কল্যান সংস্থার কোষাধ্যক্ষ), আহমেদ (রুশ বাংলা কল্যান সংস্থার দপ্তর সম্পাদক), চাটখিল পৌরসভার আহবায়ক জসিম উদ্দিন, জয়াগ ইউনিয়ন সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবরসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বৃন্দরা। উক্ত গাছের চারা বিতরনী কর্মসূচিতে রুশ বাংলা কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব লিটনের সার্বিক তত্তবাবধানেউক্ত চারা বিতরনী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।গাছের চারা বিতরনী কর্মসূচিতেআরও উপজেলার খিলপাড়া,হাটপুকুরিয়া, রামনারায়নপুর, পরকোট, মোহাম্মদপুর ও বদলকোট ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ওসুবিধাবঞ্চিত। রুশ বাংলা কল্যাণ সংস্থা ফল গাছ ভিতরণ করে চাটখিল উপজেলায় পরিবেশ উন্নয়ন ও প্রকৃতিকে সবুজ বনায়ন করার লক্ষ্যে সংস্থাটি বৃক্ষ বিতরণের জনসাধারণের মাঝে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এগিয়ে আসে। গাছ আমাদের অনেক উপকার করে,গাছ আমাদের ফল দেয়,গাছ আমাদের ছায়া দেয়,অক্সিজেন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে তাই দেশের মানুষকে প্রকৃতি প্রেমিক হতে হবে।এই সংস্থাটি নিয়োমিত বিশ্ব প্রকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায় সবুজ বনায়ন এর জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে,তাই রুশ বাংলারবিনামূল্যেগাছের চারা বিতরণ কাজে একত্বতা স্বিকার করে এই আয়োজনে করা হয়েছে।আসুন পরিবেশ রক্ষায় সবাই প্রত্যেকে একটি করে ফলজ ও বনজ গাছ লাগাই, প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায় সবাই এগিয়ে আসি। এর পরে কর্মসূচিতে গাছের চারা বিতরণের পূর্বে অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা সিমীত বক্তব্য শেষে গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত ও মাদরাসার শিশুদের মাঝে লেবু, আমড়া, পেয়ারা, নারিকেল, কাঁঠাল ও নানা জাতের কাঠ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। বিতরণ অনুষ্ঠানে গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত ছাড়াও ৬ ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের হাতে গাছের চারা তুলে দেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দরা। এদিকে তথ্য নিয়ে জানা গেছে,এই রুশ বাংলা কল্যাণ সংস্থাটি নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ী উপজেলার ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে জানা যায়।