সবুজবাংলা২৪ডটকম, কয়রা (খুলনা) : ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের সাহসী যোদ্ধা,কয়রা উপজেলা বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারী,বার বার কারাবরণকারী,আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর অসংখ্য নাশকতা মামলার আসামী, ৫ আগস্টের পরে আওয়ামীলীগের সাথে আতাত করা দলের চক্রান্তকারিদের ষড়যন্ত্রের শিকার,কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে । সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুর ১২ টায় কয়রা উপজেলা বিএনপি ও সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠন কয়রা সদরে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, কয়রার দুঃসময়ের বিএনপির কান্ডারী নুরুল আমিন বাবুলের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করতে হবে। তার মতো নির্যাতিত নেতার বিএনপিতে প্রয়োজন। বিগত দিনে কয়রার ৭ টি ইউনিয়নের বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তিনি দিন রাত পরিশ্রম করেছে। তাকে মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে বহিষ্কার করা হয়েছে। বক্তারা কেন্দ্রীয় ও খুলনা জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের নিকট তার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানায়। বিএনপি নেতা মাওলানা গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে ও মোস্তাফিজুর রহমানের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আমেরিকা প্রবাসী বিএনপি নেতা বায়োজিদ হোসেন বাচ্চু, কয়রার বিএনপি নেতা শেখ সিরাজুল ইসলাম, প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ, আঃ মজিদ মিস্ত্রি, আঃ গফফার, এফ এম মোহররম হোসেন, নাজমুল হুদা, কামরুল ইসলাম, শেখ মাসুদুর রহমান, এ করিম, যুবদল নেতা আহাদুর রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান খোকন, আওছাফুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, আবু তায়েব, রফিকুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নজরুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম, ইলিয়াস জনী,জাসাসের সভাপতি জামাল ফারুক জাফরুিন, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আমিনুল ইসলাম, শ্রমীক দল নেতা আকবার হোসেন, আঃ রউফ, আজিজুল ইসলাম, তাতী দল নেতা আবুল কালাম, সিরাজুল ইসলাম, ছাত্র নেতা মেহেদী হাসান সবুজ, শেখ মামুন, তৌহিদুর রহমান, মেহেদী, মহিলা দল নেত্রী ফাতেমা খাতুন, মাহফুজা, রুবিনা প্রমুখ।

কয়রায় মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, নিরাপত্তা চাইলেন দুই নারী
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে মোছাঃ খারুন্নেছা এবং মোছাঃ আছিয়া খাতুন তাদের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন। তারা জানান, কামরুল ইসলাম গংরা সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে।
সোমবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে খারুন্নেছা ও আছিয়া খাতুন বলেন, কয়রা মৌজার এস.এ ১০২৯/২ খতিয়ানের জমি নিয়ে কামরুল ইসলাম গংদের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছে। তারা বৈধভাবে ১৩ আগস্ট, ২০১৫ তারিখে ১৪৪৯ নং কোবলা দলিল মূলে ১৫৫৩/২৩, ১৫৫৪/২৩ এবং ২৮১৮/২২ নং দলিলে মোট ০.৪১ একর জমি ক্রয় করেন। এরপর তারা সীমানা নির্ধারণ করে বসতঘর নির্মাণ করে এবং গাছপালা লাগিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে জমি ভোগদখল করে আসছেন। তারা আরও অভিযোগ করেন, গত ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখ থেকে কামরুল ইসলাম গংরা তাদের ওপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন, জুলুম এবং হয়রানি করে আসছে। এই কাজে তাদের সহযোগিতা করছেন কয়রা ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার মোঃ মতিয়ার রহমান।
লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার উভয়পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেন। গত ২০ জুলাই, ২০২৫ তারিখে শুনানির পর তাদের কাগজপত্র সঠিক প্রমাণিত হয়, কিন্তু কামরুল ইসলাম গংদের কাগজপত্র সঠিক না হওয়ায় তাদের মুচলেকা দিতে হয়। মুচলেকায় বলা হয়, আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত তারা ০.৪১ একর জমিতে কোনো ধরনের দখলদারি বা হয়রানিমূলক কার্যক্রম চালাতে পারবে না। সংবাদ সম্মেলনে খারুন্নেছা এবং আছিয়া খাতুন প্রশাসনের কাছে আবেদন জানান, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। একই সাথে তারা গত ৯ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে কামরুল ইসলাম গংদের করা সংবাদ সম্মেলনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।