স বুজবাংলা২৪ডটকম, কয়রা (খুলনা) : সুন্দরবন খুলনা রেঞ্জের বন রক্ষীরা ও কোস্ট গার্ড নলিয়ানের সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে কালাবগী স্টেশনের বাঘেরখাল এলাকা হতে ১টি ডিঙ্গি নৌকা, ১ টি ডূবোজাল, ১ টি বিষের বোতল, ১ শ কেজি অবৈধ চিংড়ি মাছ সহ ২ জেলেকে আটক করেছে। শনিবার (২৮ জুন) বেলা ১১ টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন কালাবগী গ্রামের রেজাউল সানা ও জাফর সানা। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এজেডএম হাছানুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক জেলেদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
কয়রায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিষযুক্ত চিংড়িসহ ৬ জন আটক
কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৬০ কেজি বিষ প্রয়োগকৃত চিংড়ি মাছ সহ ১ জনকে আটক করেছে। এ ছাড়া একই অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৫ জন আসামীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে । আটককৃতদের মধ্যে ১ জন ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি । গত শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আটককৃতরা হলেন ৪ নং কয়রা গ্ৰামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে আবুল হাসান (৩০), বামিয়া গ্ৰামের মৃত বিমল কৃষ্ণ মন্ডলের ছেলে পরিতোষ মন্ডল, মৃত যতীন্দ্রনাথ মন্ডলের ছেলে মনিমহল মন্ডল,মৃত সুনিল মন্ডলের স্ত্রী সবিতা রাণী মন্ডল, লক্ষী কান্ত মন্ডলের স্ত্রী সপ্না রাণী মন্ডল ও ঘুগরাকাটি গ্ৰামের আঃ রশিদ। কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ জিএম ইমদাদুল হক জানান, বিষাক্ত চিংড়ি মাছগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “বিষ প্রয়োগকৃত মাছের জড়িত ব্যাক্তিদের আটক করতে ও গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের ধরতে পুলিশের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কয়রায় খাল অবমুক্তকরনের দাবীতে মানববন্ধন
কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ খুলনার কয়রায় শাকবাড়ীয়া খাল অবমুক্তের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার(২৮জুন) সকাল ১১ উপজেলার মহারাজপুর বড়ব্রীজ এলাকায় স্হানীয় জনগন এ মানববন্ধন করেন। এতে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার(অবঃ) জি এম আনোয়ার হোসেন, কৃষক মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ লুৎফর মোল্লা, মোঃ আবুল হোসেন গাজী, মোঃ আছাফুর রহমান প্রমুখ। এ সময় বক্তরা বলেন,মহারাজপুর ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়া সবচেয়ে বড় খাল হচ্ছে শাকবাড়িয়া খাল।এই খালটি সরকার মৎস্য চাষীদের কাছে ইজারা দেয়।ইজারার নিয়মনীতিকে উপেক্ষা করে সাব-লিজ দেওয়া হয় খালটি।যে কারনে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় ৬ হাজার বিঘা জমিতে ফসল ফোলাতে বেগ পেতে হয় কৃষকদের।নখালটি অবমুক্ত করা হলে কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে বলে জনান তারা।