• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ইন্দুরকানী খাদ্য অফিসের নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে সরকারি চাল বিক্রির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
Update : বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) : পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে উপজেলা খাদ্য অফিসের এক প্রভাবশালী নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে সরকারি চাল আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি পলাতক আসামি ও বহিষ্কৃত সাবেক চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগসাজশ করে এক বছর আগের একটি কাবিখা প্রকল্পের ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) নবায়ন করে চাল উত্তোলন ও বিক্রি করেছেন।
জানা গেছে, উপজেলার ১ নম্বর পাড়েরহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান শাওন তালুকদার তিনটি নাশকতা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি। গত বছর ২০ জুন ওই ইউনিয়নের একটি কাবিখা প্রকল্পের জন্য এক মেট্রিক টন ৮০০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ায় বরাদ্দকৃত চাল তোলা হয়নি। ৫ আগস্টের পর শাওন তালুকদার এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালের ১৭ জুন উপজেলা খাদ্য অফিসের নিরাপত্তাকর্মী মো. নাজমুল কবির গোপনে অফিসের রেজিস্টার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ঢাকায় যান এবং পলাতক শাওনের স্বাক্ষর নিয়ে চাল উত্তোলনের অনুমোদন (ডিও) সংগ্রহ করেন। পরে তিনি খাদ্য গুদামের কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে ওই চাল উত্তোলন ও বিক্রয় করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রহমান বলেন, “আমি বিষয়টি জানি না। গত বছরের কোনো ডিও আমি ছাড় করিনি। বিষয়টি প্রথম আপনার কাছ থেকেই শুনলাম। যদি আমার অফিসের কেউ জড়িত থাকে, তাহলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করবো।”
উপজেলা খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, “চাল উত্তোলনের বিষয়টি নাজমুল কবিরের পরামর্শেই হয়েছে। তিনি রেজিস্টার ও অন্যান্য কাগজপত্র নিয়ে ঢাকায় গিয়ে স্বাক্ষর এনে দেন। এমনকি পলাতক শাওন তালুকদার ফোনে আমাকে চাল দিতে বলেন। কেন আমি এই কাজ করেছি, সেটার কোনো সদুত্তর আমার নেই।”
অভিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মী নাজমুল কবির বলেন, “২০২৪ সালের ২০ জুন এক মেট্রিক টন ৮০০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। আমি ঢাকায় গিয়ে স্বাক্ষর এনে চাল ক্রেতাকে চাল দিতে বলেছি।” তবে কেন তিনি নিজ দায়িত্বে ডিও ছাড় করলেন, সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।
জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। বিষয়টি আপনাদের কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category