সবুজবাংলা২৪ডটকম, মাধবদী (নরসিংদী) : ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাধবদী মহা বিদ্যালয় কলেজের পরিচালনা পর্ষদের অভিভাবক প্রতিনিধি পদে নির্বাচন আগামী ৪ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনে প্রায় ১৪০০ ভোটার তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, অভিভাবক প্রতিনিধি পদের জন্য প্রাথমিকভাবে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় চূড়ান্তভাবে ৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে লড়াবেন। এই ৫ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত ৩ জন অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হবেন।
মঙ্গলবার ২৭ মে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব কামাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা ও তাদের বরাদ্দকৃত প্রতীক প্রকাশ করা হয়েছে।
চূড়ান্ত ৫ প্রার্থী ও তাদের প্রতীক গুলো হচ্ছে মোঃ আহসান উল্লাহ তার নির্বাচনী প্রতীক বাই সাইকেল, মোঃ ইয়াহইয়া তার প্রতীক ছাতা, ওমর ফারুক প্রতীক মোরগ, মোঃ আব্দুস ছাত্তার ভূঁইয়া প্রতীক আনারস, লোকমান হোসেন সরকার দেয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন মাঠে থাকবেন।
নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে। এ নির্বাচনে যারা বিজয়ী হবেন অভিভাবকরা তাদের প্রতি প্রত্যাশা করছেন কলেজের সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
মাধবদীতে ৭শ টাকার জন্য যুবক খুন
নরসিংদীর মাধবদীতে মাদক সংক্রান্ত পাওনা টাকা নিয়ে সৃষ্ট বাকবিতণ্ডার জেরে সানা উল্লাহ (৩৫) নামে এক যুবককে মাথায় আঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আরমান (২০) নামে আরেক যুবকের বিরুদ্ধে।
গত মঙ্গলবার ২৭ মে দুপুরে মাধবদীর মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বালুচর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সানা উল্লাহ ওই এলাকারই বাসিন্দা ছিলেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত সানা উল্লাহ এলাকায় মাদক বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং অভিযুক্ত আরমান তার কাছ থেকে নিয়মিত মাদক ক্রয় করতেন। আজ দুপুরে মাদকের পাওনা ৭০০ টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে তীব্র কথা কাটাকাটি শুরু হয়। বিতণ্ডার একপর্যায়ে আরমান উত্তেজিত হয়ে সানা উল্লাহর মাথায় সজোরে আঘাত করেন। এতে সানা উল্লাহ গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সানা উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে মাধবদী থানার পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মাদক সংক্রান্ত লেনদেন এবং পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। অভিযুক্ত আরমান ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে এবং এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।