• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নোয়াখালীতে বিএনপি জনগণের আকাক্সক্ষা পূরণ করতে বদ্ধ পরিকর : আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

একেএম শাহজাহান :
Update : বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : সংষ্কারের গল্প বলে সময় ক্ষেপন করবেন না আর। নোয়াখালীর জনসভাতে আমীর খসরু মাহমুদ। তিনি বলেন, নতুন নতুন যেসব কথা শুনছি। কখনো বলে আনুপাতিক হারে নির্বাচন, কখনো স্থানীয় সরকার নির্বাচন, এরপরে জাতীয় নির্বাচন। তারপর তারা সংস্কার করে যাবে, শেখ হাসিনার বিচার শেষ করে যাবে। এ সমস্ত কথা বলার সুযোগ নেই। তাদেরকে সেই জায়গায়, সেই দায়িত্ব কেউ দেয় নাই। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালবেলা নোয়াখালীর জেলা শহরের জজকোর্ট সড়কে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ,আইন শৃঙ্খলার উন্নয়ন ও দ্রুত সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে নোয়াখালী জেলা বিএনপি এ সমাবেশের আয়োজন করে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহ ঢুকে গেছে। আপনাদের কথাবার্তায়, আপনাদের উপদেষ্টাদের কথাবার্তায়। মনে হয় তারা কোন এক দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। সেই সন্দেহের উদ্বেগ যদি হয় বাংলাদেশের জনগণের কাছে আপনাদের আর কোনো গ্রহণ যোগ্যতা থাকবে না। এ দেশ পরিচালনা করতে হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিতে হবে।
সমসাময়িক রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা দীর্ঘায়িত করে লাভবান হবেন, হচ্ছেন তাদেরকে বলছি আপনারা মনে করছেন আপনারা এ সরকারের একটা অংশ হয়ে গেছেন। এ সরকারকে যতদিন রাখা যাবে তত দিনই আপনারা লাভবান থাকবেন, সরকারের অংশ হয়ে থাকবেন, এটা হওয়া সম্ভব না। যারা ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার প্রক্রিয়ার মধ্যে ঢুকেছেন। তাদেরকে বলছি পরিষ্কার করে সেই যেই হোক তাদের সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য মানুষ ১৬ বছর ত্যাগ স্বীকার করেছে। তিনি আরও বলেন, আজকে বাংলাদেশ এক এক দিন যাচ্ছে, এক এক দিন গণতন্ত্র বিহীন ভাবে অতিবাহিত হচ্ছে। এক এক দিন যাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক, সাংবিধানিক ক্ষমতা বাহিরে থেকে এক এক দিন যাচ্ছে। আমরা ভোট দিয়ে আমরা আমাদের সরকার দেখতে চাই। যাদের জনগণের কাছে জবাবদিহিতা থাকবে। গণতন্ত্রে জবাবদিহিতায় নির্বাচন ছাড়া দ্বিতীয় কোনো পথ নেই। আমীর খসরু বলেন,বিএনপি জনগণের আকাক্সক্ষা পূরণ করতে বদ্ধ পরিকর। বিএনপির রাজনীতি এদেশের মানুষের ওপর নির্ভরশীল। তাদের একমাত্র দায়িত্ব আগামী দিনে দেশে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। আর তাদের যদি সংস্কারের খুব বেশি ইচ্ছা থাকে, তাহলে তারা যে কমিশনের রিপোর্ট গুলো তৈরী করেছে সেগুলো আমরা আগামী নির্বাচত সংসদে পেশ করতে রাজি আছি। সংসদে আলোচনা করে সবাই মিলে যেখানে সংস্কার প্রয়োজন সেটা করবে। সব চেয়ে বড় কথা হলে আমরাতো আমাদের ৩১দফা বাস্তবায়ন করব। আমরা জাতির কাছে প্রতিজ্ঞা বদ্ধ। সংস্কারের ব্যাপারে কারো কোনো মাথা ব্যাথার প্রয়োজন নেই।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলোর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদিন ফারুক, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশীদ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক এডভোকেট এবিএম জাকারিয়া প্রমূখ। এ সময় নোয়াখালী পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আবু নাছের, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাবের আহমেদ, কৃষকদলের সভাপতি ফজলে এলাহী পলাশ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি শাহানাজ পারভিন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল, সাবেক সদস্য শামিমা বরকত লাকি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতা কর্মী এবং সমর্থক জনসভাকে মূর্হর্তে জনসমুদ্রে পরিণত করে স্লোগানে স্লোগানে।

নোয়াখালীতে জমির বিরোধে বড় ভাইয়ের বাড়ি ভাঙলেন ছোট ভাই, আহত ১৩
একেএম শাহজাহান ঃ নোয়াখালী সদর উপজেলায় জমিজমা নিয়ে সহোদর দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে বড় ভাইয়ের বসতবাড়ি গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার ভোর ৫টার সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের খলিশাটোলা গ্রামে এ হামলা হয়। এতে বাড়িতে থাকা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৩ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলো- ছামুনি বেগম (৬০), জালাল আহমদ (৬৫), মাহবুবুর রহমান (২৫), নুরুজ্জামান (৫৫), নোমান (২৪), মেহেরুন্নেসা (৫৩), মাহফুজা (৫৫), আরমান হোসেন (২০), কাজী নজরুল (১৭), মাঈনুদ্দিন (১৩), তামান্না (১৮), শ্যামলী (০৭) ও ফারহানা (১০)। আহতদের মধ্যে ছামুনি বেগম, জালাল আহমদ, মাহবুবুর রহমান, নোমান, মেহেরুন্নেসা, কাজী নজরুল ইসলাম, ফারহানা ও মাইন উদ্দিনকে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন ও হামলায় আহতরা জানিয়েছে, চরমটুয়া ইউনিয়নের খলিশাটোলা গ্রামের প্রয়াত সালেহ উদ্দিনের দুই ছেলে নুরুজ্জামান ও নুর রহমানের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও হয়। নুরুজ্জামান অভিযোগ করেন, বুধবার ভোর ৫টার দিকে ছোট ভাই নুর রহমান লোকজন নিয়ে তাঁর বসতবাড়িতে অতর্কিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় বাড়ির দরজা, জানালা, খাট, হাড়ি, পাতিলসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। হামলায় নুরুজ্জামানের পরিবারের নারী ও শিশুসহ ১৩ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮ জনকে ভর্তি করা হয়েছে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নুরুজ্জামানের ছোট ভাই নুর রহমানকে পাওয়া যায়নি। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category