সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : অপারেশন ডেভিল হান্টে নোয়াখালীতে গত ২৪ ঘণ্টায় জলদস্যু সম্রাট সফি বাসাইন্নাসহ ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলায় যৌথ বাহিনী এ অভিযান পরিচালনা করে। আটকদের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হত্যা মামলার আসামি, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রয়েছে। বুধবার নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ ইব্রাহীম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আটকদের মধ্যে সুধারাম থানা এলাকার তিনজন, হাতিয়ার আটজন, কোম্পানীগঞ্জের একজন ও চাটখিলের একজন রয়েছে। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী ফয়েজ আহমেদকে ক্ষতিপূরণ, দুই শিক্ষার্থী পেলেন অনুদান
একেএম শাহজাহান ঃ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফয়েজ আহমেদকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ এবং দুই শিক্ষার্থীকে অনুদান প্রদান করা হয়েছে। বিগত প্রশাসন কর্তৃক চার বছর ক্লাসে ফেরার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ায় তার ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল তার দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফয়েজের পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় উপাচার্য শিক্ষার্থী ফয়েজ ও তার পরিবারের প্রতি আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত রিজেন্ট বোর্ডের সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, “ফয়েজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। তার ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হলো। ফয়েজ ইচ্ছা প্রকাশ করলে রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্তের তারিখ থেকে ছয় বছরের মধ্যে তার অসমাপ্ত কোর্স সম্পন্ন করতে পারবেন।” অনুষ্ঠানে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনে আহত নোবিপ্রবি অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী কাউসার আহমেদ ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী জাফর আহমেদকে ২০ হাজার করে মোট ৪০ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া হয়। এর আগে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তাদের ১ লাখ করে মোট ২ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছিল। এছাড়াও তাদের টিউশন ফিসহ শিক্ষার অন্যান্য ব্যয় মওকুফ করা হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন-উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, প্রক্টর এএফএম আরিফুর রহমান, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরীসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনের সমন্বয়ক ও সাংবাদিকবৃন্দ।