সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : নোয়াখালীতে খড়বাহী ট্রলির ওপর থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এর আগে সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার শান্তিরহাট-মুছাপুর সড়কে খড়বাহী ট্রাক্টর-ট্রলির খড়ের ওপর থেকে পাকা রাস্তায় পড়ে গুরুতর আহত হন আজাদ। নিহত আজিজুল হক আজাদ মুছাপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ফয়েজ আহমেদের নতুন বাড়ির আহমেদের ছেলে। জানা গেছে, দিন মজুর আজিজুল হক ভাগ্য ফেরাতে দুবাই গিয়েছিলেন। কিন্তু কাজ না পেয়ে ঋণের দায় মাথায় নিয়ে দেশে ফিরে আবার দিনমজুরে ফিরে যান। সোমবার খড়ভর্তি ট্রাক্টর-ট্রলির খড়ের ওপর থেকে পাকা রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলার একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অবস্থার অবনতি হওয়ায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, ‘অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে নেশাগ্রস্ত স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নে ঘুমের ওষুধ সেবন করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন এক স্বামী। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম মাইজচরা গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূ রিনা আক্তার (২২) স্থানীয় নাদু মিয়ার মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী মো. নাহিদ হোসেন (২৬) খুলনা জেলার রাজাপুর গ্রামের মৃত খলিল মিয়ার ছেলে এবং পেশায় একজন ফার্নিচার মিস্ত্রি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৪ বছর আগে নাহিদ রিনাকে বিয়ে করেন এবং মাঝে মধ্যেই স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে আসতেন। প্রায় ১০-১৫ দিন আগে নাহিদ একমাত্র সন্তানসহ শ্বশুরবাড়িতে আসেন। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি স্থানীয় চরচেঙ্গা বাজারের একটি ফার্মেসি থেকে বেশ কয়েকটি ডিসিপিন-২ নামে ঘুমের ওষুধ কিনে সেবন করেন। রাত ৯টার দিকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাড়ি ফেরার পর স্ত্রী রিনার সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে নাহিদ উত্তেজিত হয়ে স্ত্রীর বুকে ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই রিনার মৃত্যু হয়। স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে নাহিদকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। সোনাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান রানা জানান, হত্যাকাণ্ডের পর নাহিদ ঘটনাস্থলেই শুয়ে ছিলেন। পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঘুমের ওষুধ সেবন করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তুচ্ছ ঘটনার জেরে স্ত্রীকে হত্যা করেছে নাহিদ। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক নাহিদকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।