• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

পাউবো’র পরিকল্পনা ছাড়া বাঁধ নির্মাণ, দাকোপের লক্ষ্মীখোলায় ১৫০মিটার বাঁধ নদী গর্ভে বিলীন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
Update : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, দাকোপ : খুলনার দাকোপ উপজেলার পাউবো’র ৩১নং পোল্ডারের পানখালী ইউনিয়নের লক্ষ্মীখোলা পিচের মাথা নামক স্থানে ১৫০মিটার বাঁধ নদী গর্ভে বিলীন, ৭ গ্রামের ৫০ হাজারো মানুষ পানি বন্দী ।
শুক্রবার দিবগত গভীর রাতে ভদ্রা নদীর প্রবল জোয়ারের তোড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়া নদীর পানিতে মুহুর্তের মধ্যে ৪টি গ্রামে শতশত কৃষকের হাজার বিঘা রোপা আমনের ফসল তলিয়ে যায় এবং এলাকার প্রায় অর্ধ শতাধিক পুকুরের সাদা মাছ ভেসে গেছে। বেড়িবাঁধে ছোট খাটো নদী ভাঙ্গন ও ফাঁটল মেরামতে পাউবো’র উদাসীনতা এর জন্য দাবী মনে করেন এলাকাবাসী।তবে নদী সাশন না করে বাধ দেওয়ার ব্যবস্হা করা হলে বাধ টিকে থাকার কোন উপায় নাই।
সরেজমিনে ঘুরে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাগেছে,লক্ষ্মীখোলা পিচের মাথায় বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে ভদ্রা নদীর ভাঙ্গনে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এ নদী ভাঙ্গন স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যত পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় গত ১৮ অক্টোবর শুক্রবার গভীর রাতে এ বাঁধটি নদী গর্ভে বিলীন হয়। নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় পানখালী ইউনিয়নের মৌখালী, মৌখালী পশ্চিম পাড়া, কাটাবুনিয়া, লক্ষ্মীখোলা গ্রামের প্রায় কয়েক হাজার বিঘা জমির রোপা আমন ক্ষেত তলিয়ে যায় এবং গ্রামের অর্ধ পুকুরের সাদা মাছ ভেসে গেছে। পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধটি আটকানোর জন্য প্রয়োজনীয় সারঞ্জম নিয়ে কর্মতৎপরতা চালিয়ে যেতে দেখা গেছে।
মৌখালী গ্রামের কৃষক ফজলু ফকির, আসলাম আহম্মেদ, আমানুল্লাহ শেখ, তৈয়বুর রহমান, সঞ্জয় বালা, পরিতোষ মন্ডল জানান, ছোট ছোট নদী ভাঙ্গন গুলো সংস্কারের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষকে অবগত করানো হলেও তারা এ ভাঙ্গন রোধ কল্পে কেউই এগিয়ে আসেন না। পাউবো’র উদাসীনতার ফলে ওই ভাঙ্গনটি ক্রমান্বয়ে দীর্ঘ হয়ে বাঁধটি এক সময়ে নদী গর্ভে বিলীন হয়। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড দীর্ঘ পরিকল্পনা ছাড়াই তড়িঘড়ি করে ঝুকিপূর্ণ বাঁধ বা নদী গর্ভে বিলীন হওয়া বাঁধ সংস্কারের ফলে ওই বাঁধটি অনেকাংশে দুর্বল থাকে। তারা বলেন,তড়িঘড়ি করে বাঁধ নির্মাণের ফলে দেখা গেছে ওই বাঁধটি সংস্কারের দুই এক বছর যেতে না যেতেই আবারও নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। আমরা নদী শাসন পূর্বক বিকল্প বাঁধ নির্মাণ দেখতে চাই।
পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল আলম,বলেন প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ রক্ষনা বেক্ষনের জন্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। লক্ষ্মীখোলা পিচের মাথায় নদী গর্ভে বিলীন হওয়া অংশে পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে পাউবো কর্তৃপক্ষ বাঁধ আটকানোর কাজ শুরু করেছেন এবং বাঁধ আটকানো সম্ভব হবে। তিনি অপর এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন,৩১নং পোল্ডারের দুর্যোগ সহনশীল বাঁধ নির্মাণের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় মেঘা প্রকল্প হাতে নেন। এখন এ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের চুড়ান্ত নক্সা ডিজাইন এবং পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ে পাঠাতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category