• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানের উপসাগরীয় সব বন্দর অবরুদ্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Update : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী ইরানের উপসাগরীয় অঞ্চলের সব বন্দর অবরুদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ইরানের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে আনুষ্ঠানিক অবরোধ শুরু হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।
এর আগে মার্কিন সেনারা বলেছিল, বিশ্বের যে কোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ক্ষেত্রে এ অবরোধ কার্যকর হবে। তারা জানায়, যেসব জাহাজ ইরানের বন্দরের দিকে যাবে বা আসবে তার সব জাহাজকে আটকানো হবে।
কিন্তু উপসাগরীয় অন্যান্য দেশের বন্দরে গেলে অবরুদ্ধের আওতায় পড়তে হবে না।
মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, “মার্কিন সামরিক বাহিনী ওমান উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীর পূর্বে আরব সাগরে অবস্থানরত সকল দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে।”
“অনুমতি ছাড়া অবরোধকৃত এলাকায় কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে বা সেখান থেকে বের হলে সেটিকে পথিমধ্যে আটক করা, গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করা অথবা জব্দ করা হতে পারে। তবে এ অবরোধ ইরান বন্দর বাদে অন্যান্য বন্দরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এ অবরোধের জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়ছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড। বাহিনীটির এক মুখপাত্র বলেছেন, “পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরের সব বন্দরের নিরাপত্তা থাকতে হবে, নয়ত কোনো বন্দর নিরাপদ থাকবে না।”
বিপ্লবী গার্ডের এ মুখপাত্র যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ এবং ‘সামুদ্রিক দস্যুতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর ইরান হরমুজে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়। দেশটি জানায়, ইরানের শত্রুদের কোনো জাহাজ এই পথ দিয়ে আর চলতে পারবে না।
বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি এই গুরুত্বপূর্ণ রুটটি দিয়ে সরবরাহ করা হয়। উপসাগরীয় যত দেশ আছে তারা তাদের উৎপাদিত তেল ও গ্যাস হরমুজ দিয়ে রপ্তানি করে থাকে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category