সবুজবাংলা২৪ডটকম, কয়রা (খুলনা) : কয়রায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার নাকশা গ্রামের শাহাবুদ্দিন গাজীর পুত্র নাজমুল সানা। মঙ্গলবার ( ৩ মার্চ) বিকাল ৩ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি জানান, ৩ মার্চ বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় কয়রার কপোতাক্ষ নদের চর দখল শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। ঐ সংবাদে আমাদের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাদেরকে হয়রানি করার জন্য আমাদের প্রতিপক্ষরা মিথ্যা তথ্য প্রদান করে মান সম্মান ক্ষুন্ন করছে। প্রকৃত বিষয় হলো যে, কয়রা থানার নাকশা মৌজায় এস এ ১০২৮, ২৯,৩০,৩৩ ও ৪৭ দাগে ১৬৮, ১৬৯, ১৯২, খতিয়ান মোট ১. ৮৪ একর জমি আমাদের পুর্ব পুরুষদের থেকে এখনও পর্যন্ত ভোগ দখল রয়েছি। ঐ সম্পত্তির কিছু অংশ বিভিন্ন সময় নদী ভাঙ্গন জনিত কারনে কপোতাক্ষ নদে বিলীন হয়ে যায়। সম্প্রতি নদী ভরাট হয়ে ঐ জমিতে চর জেগে উঠে। আমাদের সম্পত্তিতে আমারা মাছ চাষের জন্য বাঁধ দিয়ে সংরক্ষন করার চেষ্টা করছি। এই বিষয়টি একটি পক্ষ ভিন্ন খাতে নিয়ে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ করে হয়রানী করছে। এ ব্যাপারে প্রশাসন সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যা অভিযোগের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
কয়রায় লবন পানি উত্তোলনে বাঁধা দেওয়ায় ভুমিহীন নারীকে মারপিট করে আহত
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি : কয়রায় পল্লীতে মৎস্য ঘেরে জোরপুর্বক লবন পানি উত্তোলনে বাঁধা দেওয়ায় ভুমিহীন ১ নারীকে মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারপিটের শিকার আহত অবস্থায় ঐ নারীকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) সকাল ১০ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের কাটমারচর গ্রামের আকবার মালীর স্ত্রী রাবেয়া খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য জানান, তাদের কোন জায়গা জমি না থাকায় দির্ঘদিন যাবত স্বামী সন্তান নিয়ে পাউবোর বেড়িবাঁধের বাহিরে বসবাস করে আসছে। কপোতাক্ষ নদের ঐ স্থানের বেড়িবাঁধে নাইটি বসিয়ে লবন পানি উত্তোলনের চেষ্টা করে একই গ্রামের আব্দুল্যাহ, সবুর শেখ ও লিমন। আমি তাতে বাধা দিতে গেলে গত ২ মার্চ সকাল ১০ টার দিকে আমাকে মারপিট করে আহত করে৷ তারা। এ সময় আমার পরিবারের লোকজন আমাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এতে করে আমার শরীরের অনেক স্থানে জখম হয়। আমি সেখান চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে আসি। এত কিছুর পরেও প্রভাবশালী ঐ মহলটি নাইনটি বসিয়ে লবন পানি উত্তোলনের কাজ অব্যাহত রেখেছে। শুধু তাই নয় এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে আমার পর্বিারের ক্ষয়ক্ষতি করার হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছে। বর্তমানে আমার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ঐ চক্রটি কপোতাক্ষ নদের চরভরাটি ৫০ বিঘা জমি অবৈধ ভাবে দখল করে মৎস্য ঘের করে আসছে। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভুগী রাবেয়া খাতুন অবৈধ লবন পানি উত্তোলনের পাইপ অপসারনের জন্য প্রশাসনের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেছে।