সবুজবাংলা২৪ডটকম, উত্তরা (ঢাকা) : আর মাত্র ২০ দিন বাকি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতিক পেয়েছেন। এই নির্বাচনী প্রতিক পাওয়ার পর থেকে প্রার্থীর তাদের মিছিল ও প্রচার প্রচারনায় শুরু করেছেন। গত ২৩ জানুয়ারি (শুক্রবার) আনুমানিক সন্ধা ৭ টায় ঢাকা-১৮ আসনের বিএনপির এমপি মনোনীত প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনে(যুগ্ম আহবায়ক, ঢাকা উত্তর মহানগর বিএনপি) সমর্থকরা একটি মিছিল নিয়ে দক্ষিণ খা থেকে গাওয়াইর বাজার হয়ে প্রেমবাগান সংলগ্ন কেসি স্কুল রোডে প্রবেশ করে উত্তর দিকে যাচ্ছিলো। সে সময় মিছিলে কে বা কাহারা(ধারনা করা হচ্ছে) ৮৪২ নং (নতুন৮৪ নম্বর) ভবনের ছাঁদ থেকে ঢিল ছোড়ে এবং সে সময় মিছিলে থাকা একজন বিএনপি কর্মীর বাম পাশ আঘাত লাগলে তিনি পড়ে যান এবং গুরুতর আহত হন। আহত বিএনপি কর্মীকে সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। এদিকে এঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত ভবনের ছাদে বিএনপি নেতাকর্মীরা সাথে সাথে এই ভবনের ছাদে গিয়ে মিছিলে ছোড়া ঢিলের সঙ্গে ছাদে পড়ে থাকা ঢিলের কিছুটা সাদৃশ্য মিল পায়। এদিকে উক্ত ভবনে নিচে একটি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার( যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র) থাকলে সেখানে সাংবাদিক কর্মী কম্পিউটারে কাজে ব্যস্ত ছিলেন এবং বাহিরে চেল্লাচেল্লি শব্দ শুনে বের হয়ে বিএনপির দক্ষিণ খান থানা, ওয়ার্ড ও বিএনপি সমর্থকদের কাছে জানতে চাইলে তারা মিছিলে কে বা কাহারা ছাঁদের উপর থেকে মিছিলে ঢিল ছোড়ে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়। এ বিষয়ে দক্ষিণ খান থানা বিএনপি নেতা রাজু, হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এই ভবনে ২য় তলা(সিড়ির গেট খোলা ছিলো) থেকে সিড়ি দিয়ে উপরে ৪র্থ তলার ছাদে ওঠার দরজা সে সময় খোলা ছিলো এবং ধারনা করা হচ্ছে ঢিলটি এই ভবন থেকে পড়েছে,এ সময় যুব প্রশিক্ষণের পরিচালক দেলোয়ার হোসেন আকাশ ও অন্যান্যদেরও প্রাথমিক অবস্থায় জানতে চাওয়া হয়েছে,তারা জানান এ ঢিঁল ছোড়ার বিষয়ে তার কিছুই জানেন না,তারা কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের ভিতরে ছিলেন। এ বিষয়ে উক্ত ঘটনায় দক্ষিণ খান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন এবং ভবনের মালিক খালিদ বিন হাকিম দুলাল,ওয়ালিদ বিন হাকিম আলাল,মাসুদ বিন হাকিম দোলন,ফুয়াদ বিন হাকিম মোহন এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের বন্ধু মোঃ মনির হোসেন(সহ-সাধারণ সম্পাদক,স্বেচ্ছাসেবক দল,কুমিল্লা দক্ষিণ) সহ অন্যান্যদের জেরা করা হয়,শুধু তাই নয় যুব প্রশিক্ষণের পরিচালক দেলোয়ার হোসেন আকাশ উক্ত ঘটনার সময় বাহিরে থাকা এবং পরে তার প্রতিষ্ঠানে আসলে তাকেও জেরা করা হয়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে তারা সবাই বলেন এই ঘনটার বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না,তবে এই ভবনে উপরে হোক আর এই ভবনে পাশের কোনো ভবন থেকে হোক যে ঢিল ছুড়েছে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা উচিৎ। এরপরে যুব প্রশিক্ষণের সিসি ক্যামেরার ভবনের ২য় তলা থেকে উপরের ছাদে ওঠার সিঁড়ির মুখে ফুটেজ সংগ্রহ করে প্রশাসন। বিএনপির মিছিলের সমর্থকরা সংবাদমাধ্যমকে জানান, ষড়যন্ত্রকারিরা হয়তো উদ্দেশ্যে ছিলো মোঃ আলমগীর হোসেন(সাবেক,সাধারণ সম্পাদক,বিমানবন্দর থানা যুবদল) ওপর হয়তো তাদের আক্রমণের উদ্দেশ্য ছিলো,আর এই ঢিলটা বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনে শরিরে না পড়ে মিছিলে বিএনপির কর্মীর মাথার বাম পাশে পড়ে গুরুতর আহত হয়। দক্ষিণ খান থানা পুলিশ জানায়,এ ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান,এই ভবনের পাশে কেসি মডেল স্কুল এন্ড কলেজও একটি ভোট কেন্দ্র আর এই ভোট কেন্দ্রটি প্রশাসন নজরদারি রাখবেন। এদিকে মিছিলে থাকা বিএনপি সমর্থক,থানা ও জেলা বিএনপি নেতাকর্মীরা সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা জন্য জোরালো দাবি জানায়। দক্ষিণ খান থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা এও জানায় এটা একটি আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।