• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশে ফিরলেন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
Update : রবিবার, ১১ আগস্ট, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ দীর্ঘ ৯ বছর পর ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন।
রোববার (১১ আগস্ট) দুপুর সোয়া ২টায় ভারতের দিল্লি থেকে বাংলাদেশে পৌঁছান বিএনপির এই নেতা।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ দুপুর সোয়া ২টায় বিমানবন্দরে নামেন।
শায়রুল জানান, সালাউদ্দিন আহমেদ ভিআইপি গেইট দিয়ে বের হন। তাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন দলটির ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও মিসেস সালাউদ্দিন আহমেদ, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাইফুল আলম নিরব, আমিনুল হক, নুরুল ইসলাম নয়ন, এস এম জাহাঙ্গীর, ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাসির প্রমুখ।
এর আগে গত ৬ আগস্ট সালাহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশে আসার জন্য ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ ঢাকা থেকে নিখোঁজ হন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন। ওই বছরের ১১ মে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করে শিলংয়ের পুলিশ। ২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা থেকে সালাহউদ্দিনকে খালাস দেন ভারতের আদালত। তবে আদালতের রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে থেমে যায় সালাহউদ্দিনের দেশে ফেরা।
প্রায় সাত বছর বিচার চলার পর গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। তিনি বেকসুর খালাস পান। কিন্তু পাসপোর্ট না থাকায় সালাহউদ্দিন দেশে ফিরতে পারছিলেন না। পরে ট্রাভেল পারমিটের জন্য গুয়াহাটিতে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে আবেদন করেন। ট্রাভেল পাসও পান তিনি। তবে তার আর দেশে ফেরা হয়নি।
সালাহউদ্দিন আহমদ ১৯৯১ সালে বিএনপির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস ছিলেন। ২০০১ সালে কক্সবাজার থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিন। তাকে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল। মেঘালয়ে যখন আটক হন তখন তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। ভারতের জেলে থাকাকালে বিএনপি তাকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category