• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত ১৫ কর্মকর্তা সেনা হেফাজতে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
Update : শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চার্জশিটে নাম থাকা ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ঢাকায় সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৪ জন বর্তমানে কর্মরত ও একজন এলপিআরে (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটি) রয়েছেন।
শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের মেসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সামরিক সদস্যদের মামলাসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান।
মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট হয়েছে তাদের মধ্যে ১৫ জন কর্মকর্তা ঢাকায় সেনা হেফাজতে আছে। আমরা ১৬ জনকে সেনা হেফাজতে আসার জন্য বলেছিলাম। তাদের ১৫ জন্য আমাদের সেনা হেফাজতে এসেছে।
অভিযুক্ত সেনাসদস্যদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইনানুগভাবে বিষয়টি সমাধান হবে। আপাতত তারা সেনা হেফাজতে আছে। পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
অভিযুক্ত ১৫ কর্মকর্তা সেনাসদরের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে হেফাজতে এসেছেন। তাদের মধ্যে একজন সিদ্ধান্ত অমান্য করে মিসিং রয়েছেন। তার সন্ধান চলছে, বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আছে।
তিনি বলেন, গত ৮ অক্টোবর আইসিটিতে প্রথম দুইটা চার্জশিট জমা পড়ে। এরপর তৃতীয় আরেকটা চার্জশিট জমা পড়ে। এ সংবাদটি আসা শুরু করেছে বেলা ১১টা থেকে দুপুর একটার মধ্যে। আমরা টিভি স্ক্রলের মাধ্যমে জানতে পেরেছি চার্জশিট জমা পড়েছে এবং ট্রাইব্যুনাল অ্যাকসেপটেড হয়েছে।
চার্জশিটগুলোর মধ্যে একটি ছিল— গুমসংক্রান্ত, যারা তখন ডিজিএফআইতে কর্মরত ছিলেন তাদের একটা বড় অংশের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ। আরেকটি ছিল- র‌্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) নিয়ে, আরেকটি ৪-৫ আগস্টের রামপুরার ঘটনা নিয়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category