• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ইন্দুরকানীতে বেরিবাধের ২২টি গাছ বিক্রি করলেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি:
Update : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) : পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার বলেশ্বর নদীর পাড়ের বেরিবাধে প্রায় ২২টি গাছ বিক্রি করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা। উপজেলার ৫নং চন্ডিপুর ইউনিয়নের কলারন ফেরিঘাট থেকে শ্যামলী নার্সিং ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট পর্যন্ত বেরিবাধের দুই পাশে এসব গাছ কাটা হয়েছে।
খবর পেয়ে দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, কাটা গাছের গোড়াগুলো পড়ে আছে। স্থানীয়দের সহায়তায় গুনে দেখা যায়, মোট ২২টি গাছ কাটা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, চন্ডিপুর বিএনপির সহ-সভাপতি জল্লি জমাদ্দার, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল জমাদ্দার, বিএনপি কর্মী হালিম জমাদ্দার ও আনসি জমাদ্দার গাছগুলো ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেছেন। ব্যবসায়ী রাসেল হাওলাদার বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে জানান, উল্লিখিত বিএনপি নেতারা তার কাছে ৯টি গাছ বিক্রি করেছেন। তাই তিনি গাছগুলো কেটে নিয়েছেন।
এদিকে শ্রমিক ইদ্রিস জমাদ্দার ১১টি গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা জামাল জমাদ্দার ৬টি গাছ কাটার কথা স্বীকার করে বলেন, “এই গাছগুলো পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির মাধ্যমে আমরা লাগিয়েছিলাম, তাই আমরা কেটেছি।”
তবে বন বিভাগ, ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে গাছ কাটার অনুমতি নিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি কোনো সঠিক উত্তর দিতে পারেননি।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় বিএনপি নেতারা দুইজন সিনিয়র নেতার মাধ্যমে একাধিকবার সংবাদকর্মীদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছেন।
পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জনাব রাশেদ খান বলেন, “বেরিবাধের গাছ কাটা সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। আমি এখনই একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে বিষয়টি দেখার জন্য পাঠাচ্ছি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category