সবুজবাংলা২৪ডটকম, নরসিংদী : নরসিংদীতে তুচ্ছ ঘটনার জেরে মোজাম্মেল (২০) নামে কাপড়ের দোকানের এক কর্মচারীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে নরসিংদী শহরতলীর হাজীপুর এলাকার ফারুক মোল্লার মোড়স্থ মদিনা ওয়ার্কশপের সামনে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত মোজাম্মেল রায়পুরা উপজেলার চরসুবুদ্দি ইউনিয়নের বল্লবপুর গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে। শহরের হাজীপুরের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন এবং সিএন্ডবি রোডে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাজীপুরের ফারুক মোল্লার মোড়স্থ মদিনা ওয়ার্কশপের সামনে মোজ্জাম্মেল দাঁড়িয়ে ছিলেন।এসময় কাউছার ও রাকিব নামে তার দুই বন্ধু দোকান কর্মচারী দা দিয়ে ঘাড়ে কুপিয়ে দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় মোজাম্মেলকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমদাদুল হক জানান, নিহত মোজাম্মেলসহ কাউছার ও রাকিব শহরের একটি মার্কেটের পাশাপাশি কাপড়ের কাপড়ের দোকানের কর্মচারী। হাজীপুরে তারা এক সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন। রাতে খাবার পর একে অপরের গায়ে খাবার পানি ছিটানোকে কেন্দ্র করে বিরোধ হয়। এ নিয়ে সকালে দুই বন্ধু মোজাম্মেলকে কুপিয়ে পালিয়ে যায় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মহিষাশুড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আনন্দ র্যালি
মাধবদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি : জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের গৌরব, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মহিষাশুড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের উদোগ্যে বুধবার (২০ আগস্ট) বিকেলে মাধবদী শহরে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি বের করা হয়। আনন্দ র্যালিটি মহিষাশুড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বাবুল মিয়ার নেতৃত্বে ৫’শতাধিক নেতা-কর্মী নিয়ে মহিষাশুড়া ইউনিয়ন থেকে শুরু করে মাধবদী শহরের আনন্দী মোড় হয়ে মাধবদী শহরের শিতলাবাড়ি রোড, ম্যানচেস্টার চত্তর হয়ে মাধবদী বজারের মুল গলিপথ হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মাধবদী এসপি ইনস্টিটিউশন স্কুল মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
এসময় মহিষাশুড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ বাবুল মিয়া বলেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমরা দেশকে স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্ত করেছি। আর যেন কোনো স্বৈরাচার এ দেশের দায়িত্ব না নিতে পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যাবে, ভোট দেবে এটাই আমাদের দাবি।