• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নোয়াখালীতে ৮ জুলাই আন্দোলনের সূচনা, শহীদ হন ২৬ জন, আন্দোলনে জোরালো ভূমিকা রাখে ছাত্র-জনতা

একেএম শাহজাহান :
Update : শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : বদলে দেওয়া ইতিহাসে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নোয়াখালীসহ দেশের শহীদ যোদ্ধাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা পাওয়া অতটা সহজ ছিল না। সেদিনের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনে গর্বিত অংশীদার ছিল মুক্তিকামী নোয়াখালীর বিপ্লবী ছাত্র-জনতারা, এ অঞ্চলের অন্যান্য জেলার চেয়েও আন্দোলন-সংগ্রামে কয়েক ধাপ এগিয়েছিল নোয়াখালী জেলার ছাত্র-জনতা। শুধু নোয়াখালীতেই নয়, আন্দোলন-সংগ্রামে দেশব্যাপী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নোয়াখালীর বিপ্লবী ছাত্র জনতা যে যেখানে ছিল সেখানেই আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যে কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নোয়াখালীর বীর সন্তানরা সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে শহীদ হয়েছিল ২৬ জন। নোয়াখালীতে দৃশ্যমান আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ৮ জুলাই। শহরের আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল মূলত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও নোয়াখালী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রত্যক্ষভাবে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে চৌমুহনী সরকারি এস এ কলেজ, সোনাপুর ডিগ্রী কলেজ, নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ, নোয়াখালী পাবলিক কলেজসহ জেলা শহর ও উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের সকল স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এই আন্দোলনে প্রত্যেকেই সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। যার যার অবস্থান থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়েছেন। তাদের মধ্যে সমন্বয়ক হিসেবে অন্যতমরা ছিলেন: ফরহাদুল ইসলাম (নোয়াখালী সরকারি কলেজ শিক্ষার্থী), আরিফুল ইসলাম (নোয়াখালী সরকারি কলেজ শিক্ষার্থী), বনী ইয়ামিন (নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী), মুনতাহার প্রীতি (ম্যাটস শিক্ষার্থী), জাহিদুল ইসলাম (নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী), সুমাইয়া আক্তার ( নোয়াখালী সরকারি কলেজ), মাহমুদুল হাসান আরিফ (নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী), মুজাহিদ মিজান ( নোয়াখালী সরকারি কলেজ শিক্ষার্থী), শিহাব উদ্দিন মাহি (নোয়াখালী সরকারি কলেজ শিক্ষার্থী), মেহেদী হাসান (নোয়াখালী সরকারি কলেজ শিক্ষার্থী), মোহাম্মদ মেহেদী (নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী), হাসিবুল হাসান (নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী) প্রমুখ। বিভিন্ন ব্যানারে, বিভিন্ন স্থানে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এবং বিভিন্ন উপায়ে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল। নোয়াখালীর রাজপথে দল-মত, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধে উঠে সকল পেশার নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণের একাগ্র অংশগ্রহণে আন্দোলন বেগবান হতে থাকে। ৮ জুলাই স্বল্প সংখ্যক বিপ্লবীদের নিয়ে ফরহাদুল ইসলামের নেতৃত্বে শহরে বিক্ষোভ মিছিলের মধ্য দিয়ে নোয়াখালীতে আন্দোলনের সূচনা হয়। একইভাবে ১০ জুলাই শহরে বিক্ষোভ মিছিল হয়। ১২ জুলাই বিক্ষোভ মিছিলগুলোতে ক্রমশ ঝাঁকে ঝাঁকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। এই দিনে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যোগ দিয়ে জাহিদের স্লোগানে স্লোগানে নোয়াখালীর রাজপথ প্রকম্পিত করে তোলে। ১৪ জুলাই সম্মিলিতভাবে পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করা হয়। উল্লেখযোগ্য হারে নারী বিপ্লবীদের অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে। ১৬ জুলাই আবারো বিক্ষোভ মিছিল হয়। এদিন সারাদেশে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের ন্যক্কারজনক হামলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আবু সাঈদসহ ৬ জন আন্দোলনকারী শহীদ হয়। তাদের স্মরণে ১৭ জুলাই নোয়াখালীতে গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিলে অংশ নেয় ছাত্র-জনতা। ১৮ জুলাই কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করা হয়। ১৯ জুলাই ব্যাপক জনসমাগমের মধ্য দিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এর পরের সময়টাতে দিশেহারা তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকার ১৯ জুলাই মধ্যরাতে পুরো দেশব্যাপী কারফিউ জারি করে। যা ছিল ১৭ বছরের ইতিহাসে প্রথম কারফিউ।

নোয়াখালী হাতিয়াতে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের দায়ে সী-ট্রাক কে ৫০হাজার টাকা জরিমানা
একেএম শাহজাহান ঃ নোয়াখালীর হাতিয়ায় অতিরিক্ত যাত্রী বহনের দায়ে সী-ট্রাক কে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ‎শুক্রবার (১ আগস্ট) নোয়াখালীর হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট রুটে চলাচলকারী সী-ট্রাক এস.টি শৈবাল কে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করেন, হাতিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মং এছেন । ‎হাতিয়া নলচিরা ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর অতিরিক্ত যাত্রী বহন করেছে এ সংবাদে নদীর মাঝখান থেকে আটক করে কোষ্টগার্ড। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category