• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে ভারতে শরণার্থীর ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Update : সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : মিয়ানমারে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে হাজার হাজার শরণার্থী পালিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মিজোরামে এরই মধ্যে অন্তত চার হাজার মিয়ানমার নাগরিক আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতীয় কর্মকর্তারা।
সোমবার (৮ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেশটির এক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, গত ২ জুলাই থেকে মিয়ানমারের চিন রাজ্যে চিন ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স (সিএনডিএফ) ও চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স-হুয়ালনগোরাম (সিডিএল-এইচ)-এর মধ্যে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর থেকেই সীমান্ত পেরিয়ে শরণার্থীদের ঢল নামে।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, প্রথমে সীমান্তবর্তী কয়েকজন এসেছিলেন। কিন্তু যখন সংঘর্ষ বেড়ে যায় ও সীমান্তের কাছাকাছি চলে আসে, তখনই হাজার হাজার মানুষ পালাতে শুরু করেন।
শুধু চামফাই জেলার জোখাওথার ও সাইখুমফাই গ্রামেই রোববার রাত পর্যন্ত অন্তত ৩ হাজার ৯৮০ শরণার্থীর অবস্থান রেকর্ড করা হয়েছে।
মিজোরামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে সাপদাঙ্গা শরণার্থীদের আগমন নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষ আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। মানুষ আমাদের সীমানায় এসেছে এবং মানবিক কারণে আমাদের তাদের জন্য খাবার, পানীয় ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে।
তবে তিনি আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা তিন হাজার বলে জানিয়েছেন, যা সরকারি রেকর্ডে উল্লেখিত সংখ্যার তুলনায় কিছুটা কম।
২০২১ সালে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিজোরামে শরণার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চীন রাজ্যের সঙ্গে সীমান্ত লাগোয়া এবং চিন জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে মিজো জনগণের নিকট আত্মীয়তা থাকায় এই অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে।
মিয়ানমার সামরিক সরকারের পক্ষ থেকে এবারের সংঘর্ষ ও শরণার্থীদের বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সূত্র: রয়টার্স


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category