• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

হাতিয়া বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য আওয়ামী দোসর জাহিদ

খোরশেদ আলম :
Update : সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, কুড়িগ্রাম : উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের একজন আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হাতিয়া বিএনপির আহব্বায়ক সদস্য হওয়া কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও চাঞ্চল্যকর অবস্থা । সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ। স্থানীয়রা বলছেন, জাহিদ মূলত উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাজ্জাদুর রহমান সাজু তালুকদারের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন এবং সরাসরি আওয়ামী লীগের নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন।
জানা গেছে, জাহিদ একসময় সেচ্ছাসেবক দলের উলিপুর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। ৫ আগস্টের আগে তিনি উপজেলা বিএনপির নির্দেশনা অমান্য করে আওয়ামী লীগের প্রোগ্রাম, মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নেন এবং প্রকাশ্যে ভোট ক্যানভাস করেন। এমনকি আওয়ামী লীগের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মতি শিউলির সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি তার সাথেও একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এই বিষয়ে সেচ্ছাসেবক দলের নেতা আক্তারুজ্জামান রনি তাকে ফোনে সতর্ক করলে জাহিদ স্পষ্ট জানিয়ে দেন,আমি আর বিএনপি বা সেচ্ছাসেবক দল করবো না” বলে ফোন কেটে দেন।
৫ আগস্টের পর আবারও তিনি বিএনপির বিভিন্ন নেতার কাছে সুপারিশ নিয়ে ঘোরাঘুরি শুরু করেন, সেচ্ছাসেবক দলে ফেরার জন্য। তবে সবাই তার রাজনৈতিক আদর্শহীনতা এবং আওয়ামী সংশ্লিষ্টতার কারণে তাকে ফিরিয়ে দেয় একটি বিশ্বস্থ সুত্রে জানা গেছে ।
হঠাৎ করে অদৃশ্য কোনো প্রভাবে তিনি হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য হন। নানা অভিযোগে অভিযুক্ত থাকা জাহিদ আহ্বায়ক সদস্য হওয়ার পর থেকেই হয়ে পড়েন আবারও বেপরোয়া। গত কুরবানির সময় ‘ইসলামি রিলিফ বাংলাদেশ’ এর গরু হতদরিদ্র পরিবারের মানুষের মধ্যে জবাই করে দেওয়ার সময় ভুরি ও পা জোর করে বাড়িতে নিয়ে যান, যা এলাকায় আলোচনার জন্ম দেয় এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যমেও তোলপাড় শুরু হয়। বর্তমানে সে দলের নাম ভাঙিয়ে গাড়িতে তৈল জোর করে নেওয়া, মামলা-হামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, এবং বিভিন্ন চাকরি দেওয়ার সুপারিশের নামে চাঁদাবাজি সহ তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের রয়েছে ব্যাপক অভিযোগ। পুলিশ স্টেশনেও দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্মে জড়িত থাকা আসামি ছাড়িয়ে নেওয়া ও মামলা থেকে নাম বাদ/কেটে দেওয়ার অজুহাতে হাতিয়ে নেন বিভিন্ন মানুষের নিকট মোটা অংকের টাকা।
এছাড়া, তিনি বিভিন্ন জায়গায় নিজেকে কখনো ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি, কখনো সাংগঠনিক নেতা বলে পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে আসছেন।
বিএনপির স্থানীয় ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের প্রশ্ন, একজন আওয়ামী লীগপন্থী, সুবিধাবাদী ও অভিযুক্ত চাঁদাবাজ কীভাবে বিএনপির মতো আদর্শিক দলে আহ্বায়ক সদস্য হন?উক্ত বিষয়টি উলিপুর উপজেলা ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সুদৃষ্টি কামনা করেন হাতিয়া বিএনপির একাংশ ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের একাংশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category