• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নোয়াখালী সদরের চর শুল্যকিয়ায় সন্ত্রাসীদের উৎপাতে জনজীবন বিপন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
Update : বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, নোয়াখালী : নোয়াখালী সদর শুল্যকিয়ায় এক জবরদখলকারী টং দোকান দিয়ে শুরু করে এখন রশিদ মার্কেট বানিয়েছে। অভিযোগে জানা যায় মীর কাশেম পূর্ব শুল্যকিয়া গ্রামে ৮০ শতাংশ ভূমি আবু বকর ছিদ্দিক হতে ২০০৭ সালে খরিদ সূত্রে মালিক হয়ে চাষাবাদ করে আসছে। জমিনের উত্তর অংশে রশিদ মিয়া একটা টং দোকান ছিল। তাকে বললে সে বলে যে সে চলে যাবে বলেছিল। সে শুধু চলে যাবে বলতাছে বাকী অংশে চাষাবাদ করলে কতিপয় ব্যক্তিরা ফসল কেটে নিয়ে যায়, মাটি কেটে নিয়ে যায়। নানাভাবে হয়রানি শুরু করে। এরপর মীর কাশেম সরিষা চাষ করলে আবদুল্যাহ ও খলিল গংরা এর ফসলও কেটে নিয়ে যায়। মীর কাশেম তাদের বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় জিডি করলে তাহার তদন্ত করে সত্যতা পেয়ে নন এফ আই আর ৬২/২৫ মামলা রুজু করা হয়। এই খবর পাওয়ার পর তারা উত্তেজিত হয়ে নানাভাবে হুমকী দেয়। এই তথ্য জানার পর ঘটনার স্থলে কয়েকজন সাংবাদিক যাইয়া রশিদ মিয়াকে দোকানে না পেয়ে বাড়ীতে তাকে পাওয়া যায়। অন্যদেরকে দিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে টং দোকানকে রশিদ মার্কেট বানিয়েছে। তার থেকে দোকান ঘর দেওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন এই জায়গা আমার নয়। বেকার ছেলেকে টং দোকান দিয়ে ব্যবসা করতে দিয়েছি। এই জমির মালিকানা অন্যরা দাবী করে। এই জমির মালিকানা অন্যরা দাবী করে। তাই যিনি মালিক হবেন, তার থেকে খরিদ করবো। ফসল কাটা, শরিষা ও মাটি কাটা এই সব আবদুল্যা ও খলিল করেছে। আমি শুনেছি ১৯৭২-৭৩ ইং সালে আবু তাহের বন্দোবস্ত পাইয়াছিল। এরপর সে বিক্রি করেছে আবু বক্কর ছিদ্দিক এর নিকট। এরপর শুনেছি মীর কাশেম খরিদ করেছে। এখন আবদুল্যাহ ও খলিল দাবী করে। সত্য যেটা আইন ঠিক করবে। এরপর আবদুল্যাহ ও খলিলের সাথে যোগযোগ করলে পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে মীর কাশেম থেকে জানতে চাইলে সে বলে ১৯৭২-৭৩ সালে ১৫৭১০ নং বন্দোস্ত প্রাপ্ত হইয়া দীর্ঘদিন চাষাবাদ করে ভোগ দখলে ছিল। ২০০০ সালে আবু বক্কর ছিদ্দিক এর নিকট ৩১৭৪ নং দলিল মূলে ২৭/০৩/২০০০ সালে আবু বক্কর ছিদ্দিক এর নিকট বিক্রয় করে। আবু বক্কর ছিদ্দিক ২০০৭ সালে জানুয়ারী মাসে ৭২ নং দলিল মূলে মীর কাশেমের নিকট ৮০ শতাংশ ভূমি ছাপ কবলা দলিল মূলে বিক্রয় করেন। মীর কাশেম খরিদকৃত ভূমি জমাখারিজ খতিয়ান করে সরকারের রাজস্ব আদায় করে আসছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ন্যায় বিচারের দাবী করে জবর দখলকারী সন্ত্রাসীদের থেকে মুক্তি পেতে চায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category