• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

চিটাগাংকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পেল বরিশাল

স্পোর্টস ডেস্ক :
Update : সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : আসর জুড়েই ব্যর্থ ছিলেন তাওহিদ হৃদয়। কোয়ালিফায়ারের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এসে জ্বলে উঠলেন এই ওপেনার। তার দুর্দান্ত ফিফটিতে ১৬ বল হাতে রেখে সহজ জয় পেয়েছে ফরচুন বরিশাল। ৯ উইকেটের জয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে ফরচুনরা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের জয়ী দল।
মিরপুরে প্রথম কোয়ালিফায়ারে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে চিটাগাং। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৯ রান করেছেন শামীম। জবাবে খেলতে নেমে ১৭ ওভার ২ বলে এক উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বরিশাল।
১৫০ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে উড়ন্ত শুরু পায় বরিশাল। তামিম ইকবাল ও হৃদয় মিলে উদ্বোধনী জুটিতে ৫৫ রান তোলেন। তাদের এমন শুরুতেই জয়ের ভিত পেয়ে যায় বরিশাল। ২৬ বলে ২৯ রান করে তামিম ফিরলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি।
এরপর ডেভিড মালানকে সঙ্গে নিয়ে বাকি কাজটা সহজেই সেরেছেন হৃদয়। ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে লম্বা সময় পর বড় ইনিংস খেলেছেন হৃদয়। মালানের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৯৫ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতেও বড় অবদান ছিল হৃদয়ের। ৫৬ বলে অপরাজিত ৮২ রান করেছেন তিনি। আর মালান অপরাজিত ছিলেন ২২ বলে ৩৪ রান করে।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই খাজা নাফিকে হারায় চিটাগাং। পাকিস্তানি এই ওপেনার ইনিংসের প্রথম বলেই চার মেরে শুরু করেছিলেন। তবে পরের বলেই কাইল মেয়ার্সের দুর্দান্ত এক ইন সুইংয়ে বোল্ড হয়েছেন। ২ বল খেলে ৪ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি।
তিনে নেমে ব্যর্থ গ্রাহাম ক্লার্কও। ৬ বল খেলে ৬ রান করেছেন তিনি। একই পথে হেটেছেন মোহাম্মদ মিঠুন-হায়দার আলিরাও। টপ অর্ডারের এমন ব্যর্থতায় ৩৪ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় তারা।
রপর পারভেজ হোসেন ইমনকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৭৭ রানের জুটি গড়েন শামীম। ৩৬ রান করে ইমন ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। এরপর শামীমকে আর কেউই যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি। শামীম থেমেছেন ৪৭ বলে ৭৯ রান করে। এই ইনিংস খেলার পথে ২৯ বলে ফিফটি করেন শামীম।
বরিশালের হয়ে এদিন দুর্দান্ত ছিলেন মোহাম্মদ আলি। এই পেসার একাই শিকার করেছেন ৫ উইকেট। তাছাড়া দুই উইকেট পেয়েছেন কাইল মেয়ার্স।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category