সবুজবাংলা২৪ডটকম, দা’কোপ (খুলনা) : খুলনার দক্ষিণ অঞ্চলে অবহেলিত দাকোপের পল্লীতে ভদ্রা নদীর উপর দিয়ে নির্মানাধিন। কালিনগর জিসি গাডার ব্রিজ নির্মাণ কাজের অসমাপ্ত কাজ রি টেন্ডারের মাধ্যমে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম খান। এলজিইডির তদারকিতে পরিচালনায় জামাল এর নেতৃত্বে প্রায় ৩০-৪০ জন লেবার নিয়ে সময়সীমার মধ্যে অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। জানা গেছে বিগত বেশ কিছুদিন পূর্বে কালবৈশাখী ঝড়ো হাওয়ায় ও নিম্নচাপ জলোচ্ছ্বাসে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের রাখা বালু সিমেন্ট খোয়া রড নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে প্রায় ২ কোটি টাকার উর্ধ্বে মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তাছাড়া রড সিমেন্ট খোয়া বালুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ঠিকাদারের না বিশ্বাস উঠেছে। তিনি এ ব্রিজ নির্মাণ কাজে ব্যাপক লসে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন ক্যারিং কষ্ট অনেক বেশি যে কারণে বেশি লসে হয়েছেন তিনি। ব্রিজ ব্রিজ নির্মাণের কাজটি সম্পন্ন হলে পার্শ্ববর্তী কয়রা ও পাইকগাছা এবং মংলা তিনটি উপজেলার। হাজারো মানুষ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অতি সহজে তাদের গন্তব্য স্থানে পৌঁছতে পারবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। ব্রিজের ব্রিজ নির্মাণের কাজটি পিছিয়ে যাওয়ায়। জনদুর্ভোগ চরমে শিক্ষার্থীরা স্কুল ও কলেজে যেতে দারুন ভাবে ভোগান্তির শিকারে পড়েছে। এ ব্যাপারে দাকোপ উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সাথে। কথা হলে তিনি বলেন সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ যথারীতি ভাবে সরকারি দায়িত্ব পালনে অব্যাহত আছি। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনতার সাথে আলাপ হলে তারা উল্লেখ করেন। সামনে তরমুজ মৌসুম তার আগে ব্রিজের কাজ সম্পন্ন করা হলে। হাজারো জনতার ভোগান্তির অবসান ঘটবে তরমুজ মৌসুম প্রায় শুরু হতে চলেছে। ব্রিজ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে অতি দ্রুত জেলার বিভিন্ন স্থানে। তরমুজ সরবরাহ করা সহজ হবে বলে এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি। এ ব্যাপারে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করেন। সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে সরবরাহ হলে তাদের কাজ পিছিয়ে থাকবে না। তিনি দ্রুত ব্রিজ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করার জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরী বলে দাবি জানায়।