• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজৈর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসলাম ধর্ম পড়াচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকেরা

মোহাইমিনুর মোল্লা :
Update : মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, রাজৈর (মাদারীপুর) : রাজৈর উপজেলার একটি প্রাইমারী স্কুলের ইসলাম ধর্ম শিক্ষা ক্লাস নিচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকেরা। অভিযোগে জানা যায়, এই স্কুলে মুসলমান শিক্ষক না থাকায় হিন্দু শিক্ষকেরা ইসলাম ধর্ম শিক্ষা পড়াচ্ছেন। ফলে ইসলাম শিক্ষা শিখানোর পরিবর্তে গল্প গুজব করে সময় পার করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে অভিভাবক মহল থেকে। সরেজমিন অনুসন্ধান করে জানা যায়, উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের ৪২নং খালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অধিকাংশই মুসলিম। এ বিদ্যালয়ে ছয় জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। তারা হলেন বিনয় কৃষ্ণ বাড়ৈ(প্রধান শিক্ষক), গৌতম চন্দ্র দাস, অসিত কুমার রায়, আশালতা মন্ডল, লক্ষ্মী বিশ্বাস, ফুলমালা হীরা। তারা ছয়জনেই হিন্দু। ইসলাম ধর্ম ও শিক্ষা ক্লাস নিচ্ছেন তারাই। ফলে ইসলাম ধর্মের মূল শিক্ষার বিপরীতে গল্প, কল্পকাহিনী, আলোচনা শুনতে হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের। অনুসন্ধানে জানা যায়, নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক অভিযোগ করেন, হিন্দু শিক্ষকদের ইসলাম ধর্মীয় কোনো জ্ঞান না থাকলেও তারা কীভাবে মুসলমান ছাত্রদের ইসলাম ধর্ম পড়ান তা বোধগম্য নয়। ইসলাম ধর্ম শিক্ষা পড়ানোর ব্যাপারে এক শিক্ষক বলেন , আমাদের বই দেখে পড়াতে বলেছে। আমরা যা বুঝি সেভাবে পড়াই। আমাদের স্কুলে কোনো মুসলমান শিক্ষক নেই। হিন্দু শিক্ষকেরা ইসলাম ধর্ম ও শিক্ষা পড়ানোর ব্যাপারে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তপা বিশ্বাস বলেন , ইসলাম ধর্ম শিক্ষা হিন্দু শিক্ষকেরা পড়ান। স্কুলের শিক্ষক পদায়নের ব্যাপারে আমাদের কোনো হাত নেই। জেলা শিক্ষা অফিসার এগুলো করেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে রাজৈর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আরার বক্তব্য জানার জন্য তার অফিসে গিয়েও পাওয়া যায়নি এবং মোবাইল ফোনে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category