• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

দাকোপে সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি:
Update : শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, দাকোপ : দাকোপের তিলডাঙ্গা এলাকায় জমির উৎপাদিত ধান কাটাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার বিকাল ৩টায় দাকোপ প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বটবুনিয়া এলাকার মতিয়ার রহমান সানার ছেলে আবুল কাসেম সানা বলেন, উপজেলার তিলডাঙ্গা মৌজার এস এ ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ১১৯৩ ও ১৩৮৮ নম্বর দাগের মোট ১.৫০ একর জমি দেবব্রত কুমার বাছাড় ৭৬৯৯ নম্বর বন্দোবস্ত দলিল মূলে এবং ১৭ ও ১৭৩/ ৭৭-৭৮ নম্বর সেটেলমেন্ট কেসে একই এলাকার দেবব্রত কুমার বাছাড় প্রাপ্ত হয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগদখল করে আসছে। বিগত ১৪/১৫ বছর আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালিন তিলডাঙ্গা এলাকার মৃত শিবেন্দ্রনাথ সরদারের ছেলে ইউনিয়ন যুবলীগের সহ সভাপতি সুরঞ্জন সরদার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে গায়ের জোরে উক্ত জমি দখল করে নেয়। দেবব্রত বাছাড়ের মৃত্যুর পর তার ছেলে চন্দন বাছাড় ওয়ারেশ সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে উক্ত জমিতে ভোগদখলের জন্য বিভিন্ন সময়ে গেলে সুরঞ্জন তার লোকজন নিয়ে চন্দনকে ভয়ভীতি ও হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। উক্ত জমি বি.আর.এস ১৫৮ নম্বর খতিয়ানে ১৪৭৪ দাগে ১.৫০ একর দেবব্রত বাছাড়ের নামে রেকর্ড এবং কর খাজনা পরিশোধ আছে। অতএব জমির প্রকৃত মালিক দেবব্রত বাছাড়। সুরঞ্জন উক্ত জমি দাবি করে যে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার কোন ভিত্তি নেই। চন্দন বাছাড় আমার বিশ্বস্ত ও কাছের লোক বিধায় উক্ত জমি রক্ষনা বেক্ষনের জন্য আমাকে দায়িত্ব দেয়। কাসেম দাবি করে বলেন আমি বিভিন্ন দপ্তরে উক্ত জমি নিয়ে অভিযোগ দিলেও সুরঞ্জন তার পক্ষে কোন বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি। যে কারণে চন্দনের চাষ করা ফসলের কিছু অংশ কর্তন করেছি। সে আমাকে সামাজিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য বানোয়াট অভিযোগ এনে গত ২৫ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে যার কোন ভিত্তি নেই। চন্দন যাতে উক্ত জমাজমি শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগদখল করতে পারে সে জন্য প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি কামনা করেছেন তিনি। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন শহিদুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম। এ বিষয়ে সুরঞ্জন সরদার বলেন, এই জমি আমি দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগদখল করে আসছি। তা ছাড়া আমার কাগজ পত্র বৈধ কি না এক জায়গায় বসলে তার প্রমান দেবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category