• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বাজুয়া-দিগরাজ খেয়া ঘাটের বেহাল দশা, পল্টুন না থায় যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে

জি এম জাকির হোসেন :
Update : বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, দাকোপ (খুলনা) : খুলনার দাকোপ উপজেলার বাজুয়া-দিগরাজ খেয়া ঘাটের বেহাল দশা, এভাবে চলবে আর কতো দিন প্রশ্ন এলাকাবাসীর। ঘাট সংস্কার বা পন্টুন না থাকায় বছরের পর বছর নদীতে ভাটার সময় যাত্রীদের কাদাপানিতে নেমে এমনকি বাঁশের সাঁকোর ভাঙ্গা ঘাট দিয়ে ট্রলারে উঠতে হচ্ছে। সেবা দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা না থাকলেও যাত্রীদের নিয়মিত ইজারার টাকা পরিশোধ করে ট্রলারে যাতায়াত করতে হয়।সরেজমিনে দেখা গেছে, এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকে। খুলনা-মোংলাসহ বাংলাদেশের সকল জায়গায় যেতে হলে এই এলাকার মানুষকে এই ঘাট দিয়ে ট্রলারে করে পার হতে হয়। আর আসা-যাওয়ার সময় যাত্রীদের নানা সমস্যায় পড়তে হয় পল্টুন না থাকায়। যোগাযোগের তেমন কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এখানে যাতায়াতের শেষ ভরসা ট্রলারে করে নদী পার হতে হয়। কিন্তু প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক, স্কুল কলেজের পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষক, শিশু, বৃদ্ধ নারী পুরুষ সকলকে উঠতে হয় প্রচুর কষ্ট করে দীর্ঘ এই ঘাট দিয়ে। জানা গেছে, এই খেয়া ঘাটটি চলতি বছর মোংলা উপজেলা প্রশাসন থেকে রাজস্ব দিয়ে ইজারা গ্রহণ করেন খেয়াঘাটের মাঝিরা। ঘাট সমিতির সভাপতি হাবি সরদার বলেন, এত টাকা রাজস্ব দিয়ে ঘাট কিনে এখন বিপদে আছি। দিগরাজের পারে ঘাট এলাকায় ভাঙ্গন লাগায় কিছুতেই ভাঙ্গন রোধ করতে পারছি না। এছাড়া বাজুয়া পারেও পাকা ঘাটের শেষে বাঁশের সাঁকোর ঘাট থাকায় জোয়ারে নদীর স্রোত ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ঘাট ভেঙে চুরমার করে দিচ্ছে। ঘাট ভেঙে যাওয়ায় কাদাপানিতে যাত্রীরা উঠতে চায় না। তারপরও মালামাল উঠানো-নামানোর ক্ষেত্রে রয়েছে আরও সমস্যা। কাকড়া ব্যবসায়ী বাবু বলেন, শুধু বাজুয়া, লাউডোব, কৈলাশগঞ্জ, বানিশান্তা, দাকোপ ইউনিয়নের লোকজন এ ঘাট দিয়ে চলাচল করে তা নয়, পাশের অনেক জেলার ও ইউনিয়নের লোকজনও যাতায়াত করে থাকে। মালামাল নিয়ে এছাড়া অনেক সময় অসুস্থ রোগী ট্রলারে উঠতে ঘাট দিয়ে খুবই কষ্ট হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য নিতাই জোর্দার বলেন, এটা আন্তঃজেলা খেয়াঘাট এই ঘাট দিয়ে সরকার বছরে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। আর সেই ঘাটে পন্টুন না থাকায় বাঁশের সাঁকো ঘাট দিয়ে ট্রলারে উঠতে হয় নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধদের। ট্রলার থেকে উঠার সময় অসুস্থ হালিমা নামক এক মহিলা বলেন বাবারে এই ঘাট দিয়ে কিভাবে আমরা রোগী ট্রলারে উঠি এবং ট্রলার থেকে নামি বলতে পারেন এমন ভাঙ্গা ঘাট দিয়ে কি উঠা নামা করা যায়। আমার স্বামীর ঘাড়ে ভার দিয়ে ট্রলার থেকে লাঠি ভর করে উঠছি বাবা জীবন বের হয়ে যাওয়ার মতো। একই কথা বলেন পলাশ নামের এক যাত্রী ঘাটের যে অবস্থা তাতে আমাদের চলতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। ঘাট সংস্কার সহ একটা পল্টুন দেওয়া খুবই দরকার। ঘাটের ট্রলার মাঝি কামরুল বলেন ঘাট সংস্কার না করায় ভাঙ্গা ঘাটের কারণে এই ঘাট দিয়ে যাত্রী উঠা নামা করতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়ছে তাই ঘাটের জন্য পল্টুন এর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। জোয়ারের পানির চাপে বাঁশের সাঁকোর ঘাট ভেঙে যাচ্ছে। ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগের শেষ নেই। ঘাটে চলাচলরত যাত্রীরা জানান জরুরি ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এই ঘাটে একটি পন্টুনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনদুর্ভোগের হাত থেকে এলাকাবাসীকে বাঁচাতে সকলে এগিয়ে আসুন।একটা পল্টনের ব্যবস্হা করে দিন একটু শান্তিতে পারাপারের ব্যবস্হাটা হলে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category