সবুজবাংলা২৪ডটকম, ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) : পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিপক্ষ বিজিবি সদস্যকে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন খাইরুল ইসলাম। তিনি পূর্ব পশারিবুনিয়া গ্রামেরে আব্দুল মান্নানের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা জানতে সরেজমিনে গেলে বিজিবি সদস্য্য খাইরুল সাংবাদিকদের যানান আদা শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন আমার প্রতিবেশি জাকিরের সাথে সালিস বৈঠকের সিদ্ধান্তে আমি তাদের চলাচলের পথের জন্য আমর জমির উপর থেকে পথ দিলেও তারা আমাদেরকে অজ্ঞাত কারনে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে।
জাকির হোসেন সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও তার স্ত্রী মামলাবাজ শাহজানাজ পারভিন মীমাংসিত বিষয়টিকে এরিয়ে গিয়ে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে আমাদের।
মাত্র দুই তিন হাত জমির জন্য কয়েকটি মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানী করছে। এমনকি শাহীনের নামে মিথ্যা অভিযোগ আনছে যে শাহানাজের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে চাঁদা দাবি করছে। শাহিন সামান্য একজন দোকানদার সে কিভাবে পিস্তল ঠেকায় এমন মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাদের হয়রানী করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন আমরা একাধিকবার শালীশ মিমাংসা করে দিলেও জাকিরের বউ শাহনাজ পারভীন সালিশ মিমাংসার সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ওদেরকে হায়রানি করার জন্য বারবার মামলা করছে।
বর্তমান মহিলা ইউপি সদস্য সালমা বেগম জানান বিজিবি সদস্য খায়রুল ও শাহীন ওরা ভাল মানুষ শুধু একটুকরা জমির জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে। মারামারি বা চাঁদাবাজির বা পিস্তল ঠেকানোর মত কোন ঘটনা ঘটে নাই।
এই মহিলার হয়রানী করার উদ্যেশ্যে তার প্রতিবরশিদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন।
মামলার তদন্ত কারি কর্মকর্তা ভান্ডারিয়া থানার এস আই রেজাউল করিমের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি মামলাটির তদন্তর দায়িত্ব পেয়েছি, নিরপেক্ষ তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করব।
মামলার বাদি শাহনাজ পারভিন এর কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সে এই প্রতিবেদককে বলেন জমা জমির বিষয়ে খাইরুল ও শাহিন গং দের সাথে অনেকদিন ধরে জমি জমার বিরোধ রয়েছে তাই মমলা দিয়েছি। চাঁদা দাবি ও মারামারির বিষয় জানেত চাইলে, সে বলে ঘটনা না ঘটলে কি মামলা হয়।