• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

কাগজ কলমে ছাত্র ছাত্রী ঠিক ঠাক থাকলেও স্কুলে উপস্থিত পাঁচ শ্রেণি কক্ষে মাত্র ১০জন

মাসুম ফরাজি :
Update : রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, পিরোজপুর : ১৫৮ নং দক্ষিণ বেতমোড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭০ সালে স্থাপিত হয়। পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ৭নং বেতমোড় রাজপাড়া ইউনিয়নের বটতলা নামক স্থানে।
বিদ্যালয়টি স্বাধীনতার পূর্বে স্থাপিত হোলেও বর্তমানে স্কুলটি তার মান হারিয়েছে। এজন্য এলাকা বাসি স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুকুমার রায়কেই দোষারোপ কোরছেন।
তাদের অভিযোগ সুকুমার রায় ২০১৬ সালে অত্র স্কুলে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব বুঝে নেন। শুরু থেকেই তিনি উদাসীনতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। স্কুলের ভবনের ছাদ খসে খসে পরছে দীর্ঘদিন ধরে। এজন্য বিদ্যালয়টি ঝুঁকি পূর্ণ বলে ৩লক্ষ টাকার একটি বিল পাস করিয়েছেন। সে টাকা দিয়ে স্কুল প্রাঙ্গণে একটি কাঁচা টিনের ঘর নির্মাণ করা হলেও পাঠ দান পুরাতন ভবনেই চোলছে।
স্কুলের নির্দিষ্ট বাথরুম গুলোর দরজা, শ্রেণি কক্ষের জানালা এবং গ্রিল গুলোও কে বা কাহারা রাতের আধারে খুলে নিয়ে গিয়েছে তা তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।
এলাকাবাসী ও সাবেক কমিটির একজন সদস্য জানান, বিগত দিনে তিনি প্রধান শিক্ষক কে অনুরোধ করেছেন এলাকার অভিভাবক দের সাথে কথা বলে বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তিকরানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করতে, প্রধান শিক্ষক কোন কর্নপাত করেনি বলে অভিযোগ রোয়েছে।
এবিষয়ে ক্যামেরার সামনে কিছু না বল্লেও তিনি জানান প্রায় অভিভাবক সন্তানদের মাদ্রাসায় ভর্তি করাচ্ছেন এবং রাস্তা ঘাট কাঁচা হওয়াতে ছাত্র ছাত্রী কম ও নিয়মিত ক্লাস করছেনা এমটা অজুহাত দেখান।
পুনরায় অনুসন্ধান গিয়েও একই চিত্র লক্ষ করা যায়, এবং প্রধান শিক্ষক সুকুমার রায়কে স্কুলে পাওয়া যায়নি।
মাত্র ২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য সরকারের বড় একটি অর্থ অপচয়ের চেয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়া হোক বা প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষক দেরও বদলি করা হোক বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা ও এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category