কাজি আরিফ হাসান :
সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : সৌদি আরবে পবিত্র হজের মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহা আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এবং হজের আনুষ্ঠানিকতার শেষে পর দিন সৌদি আরবসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই দিন পবিত্র কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা হয়। সারাবিশ্বর মতো ২৮ মে(বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশেও উদযাপন হলো পবিত্র ঈদুল আজহা। ধর্ম প্রান মুসল্লিরা মহান সৃষ্টিকর্তার সন্তষ তাদের সন্তুষ্ট লাভের আশায় এই পবিত্র কোরবানি। পবিত্র কোরআন বর্ণিত আছে,মহান আল্লাহ ইব্রাহিম (আ:)কে স্বপ্ন দেখান তার প্রিয় বস্তুকে আল্লাহ উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা। সে সময় ইব্রাহিম (আ:) প্রিয় বস্ত তাঁর ছেলে ইসমাইল(আঃ),তখন তিনি ইসমাইল (আঃ) সর্দইচ্ছায় তিনি তার পুত্র ইসমাইল(আ:)কে সাদা কাপড়ে ঢেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মহান আল্লাহতালায় উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন এবং কোরবানি পর ইব্রাহিম(আ:) দেখেন তার পুত্র ইসমাইল পাশে বসে আছেন এবং সাদা কাপড়ের নিচে দুম্বা কোরবানি হয়ে।এই নৈতিক শিক্ষা ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে থাকে। পবিত্র জিলহজ মাসের ঈদুল আজহা এ দিনেই পরম করুনাময় আল্লাহর নৈকট্য লাভে লাখ লাখ পশু কোরবানি করেন সমর্থবান মুসল্লিরা। পবিত্র ঈদুল আজহার দুই রাকআত ওয়াজিব নামাজেরে মধ্য পর কোরবানির পশু জবাহ(গরু,মহিষ,উট,দুম্বা,ভেড়া,ছাগল) পশু জবাহে করা উত্তম। মহান আল্লাহর কাছে এই কোরবানি পশুর রক্ত,মাংশ কোনো কিছুই পৌছায় না তবে পশুর গলায় ধারালো ছুরি দিয়ে জবাই করার সঙ্গে সঙ্গে রক্ত মাটিতে পরা আগে আল্লাহর নিকট পৌছায়। এই কোরবানির পশু সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা তাদের সম্পদও গচ্ছিত টাকা অনুযায়ী ৩/৫/৭ ভাগে(শরিকে) দেয়া যাবে এবং এই কোরবানির পশুর মাংশ তিন ভাগে ভাগ করে এক ভাগ স্বজনদের এক ভাগ সনাজের দুঃস্থ-অসহায়দের জন্য এবং এক ভাগ নিজেদের পরিবারের জন্য সমান ভাবে বন্টন করা উত্তম। এই পশু(গরু,ছাগল,ভেড়া,দুম্বা) জবাহের পূর্বে প্রচুর পরিমানের পানি পান করাতে হবে যাতে অতি সহজে মাংশ থেকে চামড়া আলাদা করা সহজ হয়। এরপরে গরুর চার পা দড়ি দিয়ে শক্তভাবে বেধে স্বাভাবিক ভাবে শোয়াতে হবে পশ্চিম দিকে পশুর মুখ করে পরে পশুর গলায় ধারালো ছোড়া চালাতে হবে। এই কোরবানির পশুর চামড়া অথবা উহার মূল্য মসজিদে দান করা যেতে পারে অথবা পশুর চামড়া নিজেও ব্যবহার করা যেতে পারে এমনটি পবিত্র কোরআনে বর্ণিত রয়েছে।