• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, এলাকাছাড়া তরুণী কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ তিন দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প পাকিস্তান জামায়াত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াত আমীরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে বগুড়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধন কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ সিনেমার সেন্সর বাতিল কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত নেতৃত্বের কেউ ‘রাজাকার’ বা ‘আল-বদর’ ছিলেন না : তাহের

নিজস্ব প্রতিবেদক :
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। একইসঙ্গে বর্তমান জামায়াত নেতৃত্বের কেউ ‘রাজাকার’ বা ‘আল-বদর’ ছিলেন না বলেও সংসদে মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবির প্রেক্ষাপট: সংসদে রাজাকার-আলবদর বিতর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, “আজকে আমাদের অনেক বেশি করে রাজাকার-আলবদর বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা যারা এখানে বসে আছি, আমাদের বর্তমান নেতৃত্বের কেউ রাজাকার বা আল-বদর ছিলাম না। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কথা যদি বলেন, তবে আমিও একজন ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’।”
মুক্তিযুদ্ধের সময়কার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আমার বাড়ি ছিল সীমান্তের কাছে। যারা ভারতে শরণার্থী হিসেবে যেতেন, তারা আমাদের বাড়িতে আশ্রয় নিতেন। আমরা তাদের নাস্তা খাওয়াতাম এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে কি না, তা পাহারা দিতাম। সেনাবাহিনী দূরে থাকলে আমরা তাদের পথ দেখিয়ে দিতাম, যাতে তারা নিরাপদে ভারতে যেতে পারেন।”
পাল্টা প্রশ্ন ও রাজনৈতিক ইতিহাস: বক্তব্যের এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মন্ত্রিসভার ইতিহাস মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তাদের মন্ত্রিসভায় মাওলানা নুরুল ইসলামের মতো ব্যক্তিকে রেখেছিল এবং জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় শাহ আজিজ ছিলেন। সুতরাং ঢালাওভাবে কাউকে দোষারোপ করার অধিকার কারো নেই।
সংসদীয় শিষ্টাচার ও ‘তুই রাজাকার’ বিতর্ক: সংসদের ভেতরে ব্যবহৃত ভাষা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, “গতকাল আমি শুনেছি মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাকি ‘তুই রাজাকার’ বলেছেন। সংসদের ভেতর এটি অত্যন্ত অরুচিকর ও অসংগত শব্দ।” তিনি পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ ধরনের আক্রমণাত্মক শব্দ আত্মবিশ্বাস ও শ্রদ্ধাবোধের ঘাটতি তৈরি করে।
সমঝোতার আহ্বান: বক্তব্যের শেষ দিকে সরকার ও বিরোধীদলের মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতার আহ্বান জানিয়ে তাহের বলেন, “দেশের নীতির ব্যাপারে মতপার্থক্য থাকতে পারে এবং আমরা তার বিরোধিতা করব। কিন্তু দলে দলে এই রেষারেষি পরিবেশকে সুন্দর রাখবে না। এতে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।” একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে তিনি সকল পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category