• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরসিংদীতে নদীর তীরে মিলল হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দি যুবকের মরদেহ, শরীরে কোপের চিহ্ন কুড়িগ্রামে ৯ প্রতিষ্ঠানে ৭০ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল মামলা মানেই ঝামেলা, কোর্টে দৌড়াদৌড়ি-কে চায় : তাহসিফের বাবা নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখছি : নাহিদ ইসলাম ইরানের শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নয়: গালিবাফ আধুনিকতার ছোঁয়ায় কমেছে বিক্রি, সংকটে কেশবপুরের শত বছরের লোহাপট্টি উলিপুরে গৃহবধুকে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ পরিবারের লোকজন পালাতক আশুলিয়ার ৬ নম্বর ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয়, কঠোর হুঁশিয়ারি নেতৃবৃন্দের

কুড়িগ্রামে ৯ প্রতিষ্ঠানে ৭০ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল

মোস্তাফিজুর রহমান :
Update : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

কুড়িগ্রাম : সচেতন মহলের প্রশ্ন: এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাগ্যে কি হবে?
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় কুড়িগ্রাম জেলার ৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি’র ফলাফল বিশ্লেষণে এসব তথ্য দেখা যায়।শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলের তালিকা অনুযায়ী, শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে ২৪ জন, নাগেশ্বরী মডেল কলেজ থেকে ১৫ জন, রাজারহাটের সিঙ্গার ডাবরিরহাট কলেজ থেকে ১০ জন এবং সিঙ্গার ডাবরিরহাট বি.এল. হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এ ছাড়া নাগেশ্বরীর কুটি পায়রাডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন, ছিলাখানা মডেল কলেজ থেকে চারজন, উলিপুরের হজরত ফাতেমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে তিনজন, চিলমারীর দক্ষিণ খাউরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
অপরদিকে, কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মিরের বাড়ি এলাকায় পাঙ্গারাণী লক্ষ্মী প্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ অবস্থিত। ঐতিহাসিক রাজারহাটের ওই পাঙ্গারাণী লক্ষ্মী প্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাত্র একজন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সেও ফেল।
ফলাফলের তালিকায় দেখা যায়, এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এছাড়াও কুড়িগ্রাম জেলার সামগ্রিক ফলাফলও হতাশাজনক। এ বছর জেলায় ১১ হাজার ৭২২ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৪ হাজার ৭৭৩ জন। জেলায় গড় পাসের হার ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ।
তবে জেলায় ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের পাসের হার একটু বেশি। পাঁচ হাজার ৬৮৩ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ। অন্যদিকে, ৬ হাজার ৩৯ জন ছাত্রীর পাসের হার ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ।
এ বছর জেলায় মোট ১৩৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫৯ জন ছাত্র এবং ৭৭ জন ছাত্রী।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৮ জেলার মধ্যে পাসের হারে কুড়িগ্রামের অবস্থান ষষ্ঠ।
ভিন্ন দিকে, উলিপুরের হজরত ফাতেমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হাফিজ রহুল আমিন বলেন, তার প্রতিষ্ঠানের ৩ পরীক্ষার্থীই বিবাহিত। সংসারের চাপের কারণে তারা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই সবাই পাস করুক। কিন্তু শিক্ষার্থীদের আগ্রহ না থাকলে ভালো ফল করা কঠিন।
ঐতিহ্যবাহী কুড়িগ্রাম সরকারী স্কুলের সাবেক গুনি শিক্ষক বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, তারা সাধারণ মাধ্যমিক শাখার কার্যক্রম দেখভাল করেন। উচ্চমাধ্যমিক শাখা সরাসরি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে। এ কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের ফলের বিষয়ে তারা বিস্তারিত অবগত নন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category