• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
৫ থেকে ৭ দিনের ভেতরে রামিসা হত্যা মামলার বিচার শেষ হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু সোমবার, রাতেই মিনায় যাবেন হাজিরা ২৪ঘন্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ জনের মৃত্যু মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে নিহত ৩ বাংলাদেশি ফরিদপুরে বাসের ধাক্কায় অ্যাম্বুলেন্সের ৫ যাত্রী নিহত পাঁচ দফা দাবিতে পাবনায় বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধন পিরোজপুরে ইসলামী ব্যাংকের পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে মানববন্ধন ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের পায়তারা বন্ধ এবং এস আলমকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবিতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন জিয়ানগরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রী

কেশবপুরে সিলগালা প্যারামেডিকেল পুনরায় চালুর চেষ্টায় ব্যাস্ত চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিনিধি:
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

সবুজবাংলা২৪ডটকম, কেশবপুর : যশোর স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযানে সিলগালা হওয়া বহুল আলোচিত প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশন (পিটিএফ) পুনরায় চালুর জন্য তৎপর হয়ে উঠেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান পরিচয়দানকারী আবুল কালাম আজাদ ইকতিয়ার—এমন অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
সূত্র জানায়, কেশবপুরের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও যশোর শহরের একটি সাংবাদিক মহলকে ব্যবহার করে তিনি সিভিল সার্জন কার্যালয়ে তদবির চালাচ্ছেন। যদিও স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, বৈধ অনুমোদন ছাড়া কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠানটি চালুর সুযোগ নেই।
গত ১০ মার্চ সিভিল সার্জন ডা. মাদুন রানা, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাদিক রাসেল, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেহেনেওয়াজ রনিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পিটিএফে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের অনুমোদনের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে তা সিলগালা করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও অভিযোগ রয়েছে, সরাসরি উপস্থিত না হয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন ইকতিয়ার।
জানা গেছে, ২০১৬ সালে খুলনার জয়েন্ট স্টক থেকে ‘প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশন (পিটিএফ)’ নামে প্রাথমিক অনুমতি নিয়ে কেশবপুর শহরের মাইকেল মোড়ে একটি অফিস চালু করা হয়। সেখানে ডিএমএফ, ডিএমএস, প্যাথলজি, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি ও এক্স-রে’সহ ৫৬টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান করা হতো।
অভিযোগ রয়েছে, চটকদার প্রচারণার মাধ্যমে বেকার যুবকদের আকৃষ্ট করে জনপ্রতি ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হতো।
এর আগেও জাল সনদ বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আবুল কালাম আজাদ ইকতিয়ারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে গোপনে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেহেনেওয়াজ রনি বলেন, “বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ নেই। বিষয়টি সিভিল সার্জন স্যার দেখছেন।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে আবুল কালাম আজাদ ইকতিয়ার কথা বলতে রাজি হননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category