• সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
মা-বোনদের কষ্ট লাঘবে এলপিজি কার্ড দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ পড়ে মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু হাইকোর্টে এমপি মুফতি আমির হামজার আগাম জামিন ঢাকাস্থ পিরোজপুর ফোরামের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লা নগর উদ্যানে বেপরোয়া বাণিজ্য, নিরাপত্তাহীনতায় ঝুঁকিতে দর্শনার্থী দূরপাল্লার বাসের নতুন ভাড়া প্রকাশ উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরানের তেল কেনায় চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র কয়রায় সুন্দরবনের বনজ সম্পদ রক্ষা ও বনদস্যু নির্মূলে মতবিনিময় সভা নরসিংদীতে বিদ্যালয়ের মিড ডে মিলের বনরুটি দেখে প্রতিমন্ত্রীর অসন্তোষ প্রকাশ

হরমুজ এড়িয়ে ভিন্ন পথে সৌদি থেকে আসছে ক্রুড অয়েলের জাহাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
Update : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : দেশের জ্বালানি ঘাটতি মোকাবিলায় ক্রুড অয়েলের (অপরিশোধিত তেল) চালান নিয়ে সৌদি আরব থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে ট্যাংকার জাহাজ ‘এমটি নিনেমিয়া’।
মঙ্গলবার সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে স্থানীয় সময় রাত ৩টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা) জাহাজটি ছেড়ে আসে। এতে রয়েছে প্রায় এক লাখ টন ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল)। জাহাজটির রুটও ভিন্ন। এটি হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সরাসরি চট্টগ্রামের পথে অগ্রসর হচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত ঢাকা পোস্টকে বলেন, ক্রুড অয়েল লোড করে জাহাজটি স্থানীয় সময় রাত ৩টায় চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। জাহাজটিতে এক লাখ টন ক্রুড রয়েছে। ১৩ থেকে ১৪ দিন পর চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাতে পারে জাহাজটি।
এদিকে ক্রুড অয়েল সংকটের কারণে ১৩ এপ্রিল থেকে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ক্রুড প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ রয়েছে। ক্রুড অয়েল রিফাইনারিতে আসার পর প্রসেসিং ইউনিট সচল করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকতারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার কারণে প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। দেশে সর্বশেষ অপরিশোধিত তেলের চালান আসে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি।
তবে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, সরাসরি আমদানি করা পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো প্রভাব পড়বে না।
ইআরএলের কর্মকর্তারা জানান, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় ৫ হাজার টন এবং চারটি ট্যাংকের তলানিতে থাকা ডেড স্টক ব্যবহার করে কয়েকদিন পরিশোধন কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছিল। মূল মজুত ৬ এপ্রিল শেষ হয়ে যাওয়ার পর এসব বিকল্প উৎসের তেল দিয়েই উৎপাদন চলছিল।
তথ্যমতে, ইআরএল সাধারণত দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে। তবে সংকটের কারণে গত মাস থেকে তা কমিয়ে দৈনিক ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। পাঁচটি ট্যাংকের তলানিতে থাকা প্রায় ৩৩ হাজার টন ডেড স্টক এবং এসপিএম থেকে আনা ৫ হাজার টন তেল দিয়ে এতদিন উৎপাদন চালু রাখা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত এসব মজুতও শেষ হয়ে যাওয়ায় ১৩ এপ্রিল থেকে ক্রুড প্রসেসিং কার্যক্রম বন্ধ করতে হয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে ৬৮ থেকে ৭০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়। ইআরএল এলপিজি, পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন, ডিজেল ও ফার্নেসসহ মোট ১৬ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন করে। বাকি চাহিদা মেটাতে ভারত ও চীন থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category