সবুজবাংলা২৪ডটকম, কয়রা (খুলনা) : খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি বলেছেন, দেশ গঠনে উপকূলের সন্তানদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। উপকূল অঞ্চলের সন্তানরা নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে বলেই তারা অধিক পরিশ্রমী, মেধাবী ও অধ্যবসায়ী হয়ে ওঠে। সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে তারা দেশ ও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে, ইনশাআল্লাহ। বুধবার (২০ মে) বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের হলরুমে কলেজের গভনিং বডির সভাপতি মোল্ল্যা আবু বকর সিদ্দিককে সভাপতিত্বে ও প্রভাষক বিদেশ চন্দ্র মন্ডলের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, এক সময়ের অবহেলিত জনপদ কয়রার চিত্র এখন পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কয়রাকে একটি মডেল জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য যুবসমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে আসতে হবে। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে লেখাপড়া শেষ করে অনেকেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, ঝরে পড়া রোধ, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের বিকাশ এবং উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে কাজ চলমান রয়েছে বলে জানান। এ সময় তিনি কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ে অনার্স কোর্স চালু, ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. ওলিউল্লাহ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা শেখ সাইফুল্লাহ, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আ. ব. ম. আব্দুল মালেক, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোস্তফা শফিকুল ইসলাম, বেদকাশী বড়বাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হুমায়ুন কবির, ইউপি সদস্য আবু হাসান সরদার, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার আনোয়ারুল ইসলামসহ প্রমূখ ।
কয়রায় সেলাই মেশিন ও বাই সাইকেল বিতরণ করলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক বাপ্পি
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির (ভারপ্রাপ্ত) সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পি বলেছেন, আমি নির্বাচনের আগে আপনাদের কথা দিয়ে ছিলাম আপনাদের ছেড়ে যাবনা। আমি আপনাদের ছেড়ে যায়নি আপনাদের পাশেই আছি। যতদিন বেঁচে থাকি আপনাদের পাশেই থাকবো। তিনি খুলনা জেলা পরিষদের আয়োজনে গত ২০ মে (বুধবার) দুপুর ১২ টায় কয়রা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ২৫ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সাইকেল ,২৩ জন দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন ও ২০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতারণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন,বিএনপি গনমানুষের দল এ দল সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিলো আছে এবং থাকবে। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্যাহ আল বাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রধান মমিনুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ সাকির হোসেন,খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা রেডক্রিসেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান কেএম আশরাফুল আলম নান্নু । খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য এমএ হাসানের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক নুরুল আমিন বাবুল, জেলা সদস্য মনিরুজ্জামান বেল্টু,আবু সাইদ বিশ্বাস,জিএম মাওলা বকস, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও যুবদলের আহবায়ক শরিফুল আলম, যুবদলের সদস্য সচিব মোহতাসিম বিল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নুরুল ইসলাম খোকা, কৃষকদলর আহবায়ক এসএম গোলাম রসুল, ছাত্রদলের আহবায়ক আরিফ বিল্লাহ সবুজ, সদস্য মেহেদী হাসান সবুজ প্রমুখ।
কয়রায় ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ পালন
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি : কয়রায় ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ পালন উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন, শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ মে) সকাল ১০ টায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসুচীর উদ্বোধন করা হয়। কয়রা সদরে শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মোঃ আহাদ আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী। এতে বক্তব্য দেন ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মোঃ আঃ ছালাম সহ সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
কয়রার ইউপি সদস্য হাসানুরের বিরুদ্ধে বনদস্যুদের সহযোগিতার অভিযোগ
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি : কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের ৩নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্য মোঃ হাসানুর রহমান মোড়লের বিরুদ্ধে সুন্দরবনের বনদস্যুদের সাথে সখ্যতা সহ তাদেরকে সহযোগিতা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি বাহিনীর সদস্যদের জিনিষপত্র কিনে দেওয়ার কথা বলে ৮ লক্ষ টাকা নিয়ে কিছু জিনিষ কিনে দিয়ে বাকি টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠছে তার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় ঐ বাহিনীর কাছ থেকে দ্বিতীয় দফায় আবারও ৫ লক্ষ টাকা নেন তিনি। পরে কোন জিনিস কিনে না দিলে ঐ বাহিনীর সদস্যর টাকা ফেরত চাইলে টাকা না দিয়ে তিনি বিভিন্ন তালবাহানা করতে থাকে। আর ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাহিনী প্রধানের শশুরকে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার খিরোল গ্রামের মইজুদ্দীন মোড়লের পুত্র মোঃ হাসান মোড়ল আমাদী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য। তিনি সুন্দরবনের বনদস্যু দুলাভাই বাহিনীর সদস্যদের নিকট হতে জিনিষপত্র কিনে দেওয়ার নামে ৮ লক্ষ টাকা গ্রহন করেন। ঐ টাকা দিয়ে অল্প কিছু টাকা জিনিস কিনে দিয়ে আবারও ৫ লক্ষ টাকা নেন। দির্ঘদিন ধরে সম্পুর্ন টাকার জিনিষপত্র কিনে না দেওয়ায় ঐ বাহিনীর প্রধান আফজাল মোবাইল ফোনে তার কাছে টাকা ফেরত চাই। তিনি না দিয়ে বিভিন্নভাবে তালবাহনা করতে থাকে। এক পর্যায় টাকার বিষয় চাপ দেওয়ায় তার এলাকায় আফজালের শশুর বসবাস করায় তাকে সহ তার পরিবারের সদস্যদে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এমনকি হামলা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। সুন্দররবনের দুলাভাই বাহিনীর সদস্য আফজালের সাথে তার শশুরের কোন সম্পর্ক নেই। তার পরেও তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। অভিযোগ আরও জানা যায় হাসান মেম্বার সুন্দরবনেন বিভিন্ন বনদস্যু বাহিনীর সাথে সম্পর্ক রয়েছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের মাধ্যমে তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগের ব্যাপারে ইউপি সদস্য মোঃ হাসান মোড়লের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।