সবুজবাংলা২৪ডটকম, মঠবাড়িয়া (পিরেজপুর) : বাংলাদেশ সেবাশ্রম কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক বাবুল কৃষ্ণ হাওলাদারকে সংগঠনের গঠনতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৯ সালে বহিষ্কার করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যথাযথ সাংগঠনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ওই সময় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
বাবুল কৃষ্ণ হাওলাদারের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মিরুখালী এলাকায়। তার পিতার নাম মৃত সুরেন চন্দ্র হাওলাদার। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঢাকায় বসবাস করে আসছেন। বহিষ্কারের পরও তিনি নিজেকে ওই পদে বহাল দাবি করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, ২০০৯ সালে বহিষ্কারের পর সংগঠনের নীতিমালা অনুযায়ী একটি রেজুলেশন গৃহীত হয়। পরবর্তীতে গুরুদেব স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল আশ্রমে বাবুল কৃষ্ণ হাওলাদারকে সব ধরনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ সেবাশ্রম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শ্রী সুশীল কুমার পাইক বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সংগঠনের “গুরুভজন দ্বীপিকা” নামের একটি বই ছাপানোর জন্য বরাদ্দকৃত ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাবুল কৃষ্ণ হাওলাদারকে বহিষ্কার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বহিষ্কারের পরও বাবুল হাওলাদার দেশের বিভিন্ন আশ্রমে সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে চলেছেন। এ কারণে বাংলাদেশ সেবাশ্রম মঠবাড়িয়া উপজেলা শাখা তার বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা নং- ৯৫/২১ দায়ের করেছে। মামলাটি বর্তমানে পিরোজপুরের সিনিয়র সহকারী জজ আদালত, মঠবাড়িয়ায় বিচারাধীন রয়েছে। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য বাবুল কৃষ্ণ হাওলাদারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।