• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আর্থিক খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না: অর্থমন্ত্রী পিরোজপুরে পূবালী ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজের ৪ ঘন্টা পর কলেজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার সেবাশ্রম থেকে বহিষ্কারের পরও বেপরোয়া বাবুল কৃষ্ণ হাওলাদার! মুন্সিগঞ্জে কৃষি উন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদের ওপর জোর লবণ চাষিদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় লেবাননে ২ বাংলাদেশি নিহত চার সাংবাদিককে ৭২ ঘন্টার মধ্যে পুনর্বহাল না করলে এখন টিভি ঘেরাও করবে সাংবাদিক সমাজ : ডিইউজে সভাপতি ময়লার বিল ১০০ টাকার বেশি নিলেই লাইসেন্স বাতিল : ডিএসসিসি প্রশাসক

হকার উচ্ছেদের নামে কার্ড বাণিজ্য ও চাঁদাবাজি বন্ধ করে সঠিক নীতিমালা করুন : আতিকুর রহমান

তৌহিদ হোসেন সরকার :
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : ঢাকা মহানগর হকার্স নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় হকার উচ্ছেদের নামে কার্ড বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির সংস্কৃতি বন্ধ করে সঠিক নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট মো. আতিকুর রহমান।
রবিবার (১০ মে) সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দোকান কর্মচারী ও হকার্স শ্রমিক ফেডারেশন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, হকার উচ্ছেদের নামে দেশে নতুনভাবে চাঁদাবাজির সংস্কৃতি উৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রথমে হকারমুক্ত করার নামে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়, পরে আবার বিভিন্ন কার্ড ও অনুমতির নামে বসার সুযোগ দেওয়া হয়। এতে সমস্যার সমাধান না হয়ে রাজনৈতিক প্রভাব ও চাঁদাবাজির নতুন কৌশল তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখিয়ে যখন-তখন হকার উচ্ছেদ করা যাবে না। যদি উচ্ছেদ করতেই হয়, তাহলে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং পরিবার চালানোর দায়িত্বও সরকারকে নিতে হবে। কারণ হকাররা প্রতিদিন ব্যবসা করে পরিবার পরিচালনা করেন।
আতিকুর রহমান বলেন, দেশের বিভিন্ন সেক্টরের মানুষ নিজ নিজ পেশায় নিয়োজিত থাকার কারণেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হয়। হকাররাও সমাজ ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অথচ ক্ষমতাসীনরা বিভিন্ন সময়ে এই শ্রেণির মানুষকে হয়রানি ও রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে আসছে। সব দোষ হকারদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হলেও বাস্তবে সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবই মূল সমস্যা।
তিনি বলেন, হকাররা চুরি বা ডাকাতি করছেন না; তারা জীবিকার তাগিদে ব্যবসা করছেন। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে তাদের জন্য সুষ্ঠু ও স্থায়ী ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিত করা।
রামপুরা বাজারের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, হকার উচ্ছেদের কারণে মাছ বিক্রেতা ও মাংস ব্যবসায়ীদের বিক্রিও কমে গেছে। কারণ যারা আগে ওই এলাকায় কেনাকাটা করতেন, তারা এখন আর আসছেন না। তাই উচ্ছেদ কোনো সমাধান নয়; বরং এটি নতুন নতুন সমস্যার সৃষ্টি করে।
সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যে হকার উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট সময় ও স্থান নির্ধারণ করে নীতিমালার আওতায় ব্যবসার সুযোগ দিতে হবে। হলিডে মার্কেটসহ আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালু করে হকারদের সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নিতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন দোকান কর্মচারী ও হকার্স শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম লুৎফুর রহমান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লস্কর মোহাম্মদ তসলিম, কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা মিঠু, মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আতিক, দোকান সেক্টরের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, দক্ষিণ সভাপতি খিজির আল হাসান, ভ্রাম্যমান হকার্স শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামসহ অনেকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category