• শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০২:০২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে সুন্দর বনের কালাবাগী ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র

জি এম জাকির হোসেন : / ৫৫ Time View
Update : সোমবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৪

সবুজবাংলা২৪ডটকম, দাকোপ (খুলনা) : বিশ্বের ঐতিহ্য প্রাকৃতিক সুন্দরবনের অপরুপ লীলা ভূমি। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার জন্য নতুন ভাবে সাজানো হয়েছে। পশ্চিম সুন্দরবন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের কালা বাগী ফরেস্ট এর আওতাধীন ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র। সেখানে উপস্থিত হলে পর্যটকদের মন কেড়ে নেয় সুন্দরবনের প্রাকৃতিক দৃশ্য ও তার অবকাঠামো। বর্তমানে ওই স্থানটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে অল্প দিনে। গত সোমবার পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়। এবার বোনে গিয়ে একটু ভিন্ন রকমের মনে হয়েছে তাদের।সেখানে হরিণের পাল দেখা গেছে নদীর চরে। পর্যটককেন্দ্র টির অবকাঠামোগত উন্নয়ন হওয়ায়। বোনে চলাচল সহজ হয়েছে। বদরুল আলম নামের এক পর্যটক বলেছেন তিনি আগে সুন্দরবন ঘুরে এসেছেন। মংলা থেকে রওয়ানা হয়ে করমজল, হারবাড়িয়া, নীলকমল, ও কটকা ইকোটুরিজম কেন্দ্র । অবশেষে কৈলাশগঞ্জ ম্যানগ্রোভ ইকো গার্ডেন পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন। এবার কালাবগী ফরেস্ট অফিসে যেয়ে একটু ভিন্ন রকমের আনন্দ উপভোগ করেছি। সেখানে বেশ অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে। ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রের অপর পাশে হরিণের পাল দেখতে পেয়েছি।সেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভরপুর, সুন্দরবনের আসল চেহারা উপলব্ধি করা সম্ভব হয়েছে। এব্যপারে বন বিভাগের কালাবগী ফরেষ্ট অফিসার আব্দুল হাকিম জানায়। আগে সুন্দরবনে পর্যটক কেন্দ্র সাতটি ইকোট্যুরিজম ছিল এতে বেশি মানুষ চলাফেরা করতে কষ্ট দায়ক বলে মনে করত। বর্তমান টাওয়ার বসার জন্য গোল ঘর বোনের মধ্যে কিছুটা হাটাহাটির জন্য সুবিধা হচ্ছে। কংক্রিকেট ফুট ট্রেইল সেখানে বিভিন্ন রকমের খাবার রাখা হয়েছে। যে খাবারটি হরিণ ও কুমিরসহ অন্যান্য প্রাণীরা খাওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তবে কালাবগীতে ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রে প্রায় সর্বক্ষণ। অবাধে যাতায়াত করতে দেখা মেলে বন্য শুকর, বানর, গুইসাপ ও চিতল হরিণ। আবার কোথাও কোথাও রয়েছে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগারের পায়ের ছাপ। দায়িত্বপ্রাপ্ত কালাবাগী ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রের কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম বলেন। এবছর মৌসুম শুরু হতে না হতেই কালাবাগী ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রে, প্রচুর পর্যটকদের আশা শুরু করেছেন। আমরা স্টেশন কর্মকর্তা স্টেশনের গাছগুলোতে গাছের গায়ে । বৈজ্ঞানিক নাম লিখে দিয়েছি ফলে পর্যটকরা সহজে গাছের পরিচিতি জানতে পারছেন। বনে বিভিন্ন প্রাণীর নামের তালিকা বর্ণনা সহ নানা স্থানে টানানো হয়েছে। যাতে কোন বন্য প্রাণী পর্যটকরা দেখতে তার বাহ্যিক সভাব বুঝতে পারে। ফলে পর্যটকরা তাদের বিবাক্ত করা থেকে বিরত থাকবেন। এছাড়া সুন্দরবনের শেকের টেক এলাকায়। ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ ও শেষ করা হয়েছে। সেখানে চার শত বছরের একটি কালী মন্দির ঘিরে পর্যটক কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়েছে। তবে ইতিমধ্যে পর্যটকদের যাওয়ার অনুমতি দিতে শুরু করেছে বন বিভাগ। শেকের টেক ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রটিও কালাবাগী ফরেস্ট স্টেশন আওতাধীন বলে। স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম জানান,এব্যপারে বিভাগীয় কর্মকর্তা সুন্দরবন পশ্চিম বণ বিভাগ তিনি জানান। বাংলাদেশের ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের ইকো ট্যুরিজম গড়ে ওঠায়। যে হারে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে অপরদিকে আনন্দ উপভোগ করছে পর্যটকরা।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories